মেস ও ছাত্রী হলের অধীন হোস্টেল ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে বিপাকে পড়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্তের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
রোববার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো ৩০৪ জন শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর সম্বলিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান তারা। এতে বলা হয়, ছয় মাসের অধিক সময় ধরে বন্ধ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। শুধু বন্ধ হয়নি শিক্ষার্থীদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলার নানামুখী চাপ। মেস ও হোস্টেল ভাড়া সমস্যাটি তার মধ্যে সবচেয়ে জটিল এবং প্রকট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে পর্যাপ্ত সিট না থাকার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর শেষ আশ্রয়স্থল মেসগুলো। এরমধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই মেসভাড়া বহন করে থাকেন টিউশনের অর্থ দিয়ে। আর কিছু শিক্ষার্থীর যোগান আসে পরিবারের শ্রমের টাকা থেকে।
গত মার্চ মাস থেকে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যেমন টিউশন বন্ধ রয়েছে, তেমনি ব্যাহত হয়েছে পরিবারের অর্থনীতির চাকা। কিন্তু এর ভেতরেও থেমে ছিল না মেসভাড়া সংক্রান্ত সমস্যা, যার কোনো সমাধান এখনও হয়নি। অনেকেরই এই অনিশ্চিত সময়েও নিশ্চিতভাবে দিতে হয়েছে মেসভাড়ার টাকা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর জমে যাওয়া বকেয়া পরিপূর্ণভাবে পরিশোধের চাপ বেড়েই চলছে। ইতোমধ্যে মেস থেকে বের করে দেওয়া, মেসে পরিকল্পিত চুরির ঘটনাসহ অনেক শিক্ষার্থী চরমভাবে মেস-মালিকদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Canada Visa for Businessman
Australia Visa for Businessman
Maldives (Paradise Island-Beach Vila & Hulhumale) 3D/2N
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর আওতাধীন হোস্টেলগুলোর মধ্যে রয়েছে- সামাদ হাউজ, ফজল কমপেক্স, আমির কমপেক্স ও ছাড়ানীড়। এসব হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের পক্ষেও গত ৬ মাসের ভাড়া পরিশোধ করা একপ্রকার অসম্ভব।
এছাড়া ছাত্রীহলের অধীন হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের গত ৬ মাসের ভাড়ার অন্তত ৬০ শতাংশ মওকুফ করে বাকি ৪০ শতাংশ ভাড়া কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪০৩ বার পড়া হয়েছে





