রাজধানী ঢাকার পাশেই দোহার উপজেলার মৈনটঘাট এলাকায় প্রমত্তা পদ্মার তীরে গড়ে ওঠা মিনি কক্সবাজার এখন লোকে লোকারণ্য।

ব্রিটিশ আমল থেকেই বহুল পরিচিত এই স্থানের মূল আকর্ষণ পদ্মা নদীর সুবিশাল জলরাশি ও স্থানীয় জেলেদের ইলিশসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ ধরার দৃশ্য। এ ছাড়া সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম অপরূপ দৃশ্য দেখার মনোমুগ্ধকর স্থান এটি।  এ কারণে নির্জনে যারা ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই স্থানটি হয়ে উঠেছে একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা। আর সরকারি নজরদারি বা পর্যটনশিল্পের ছোঁয়া পেলেই হয়ে উঠতে পারে একটি আদর্শ আধুনিক পর্যটন পল্লী।

সেখানে আছে ট্রলার ও স্পিডবোটে বিস্তীর্ণ নদী পথে ভ্রমণের বিশাল সুযোগ।  যেখানে এলে মুগ্ধ হবেন যে কেউ।  সব মিলিয়ে মনের অজান্তেই এ স্থানটি মনে হতে পারে যে, এটি মৈনটঘাট নয়, যেন কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের একাংশ।  আর এ কারণেই স্থানটি এখন হয়ে উঠেছে মিনি কক্সবাজার।

মৈনটঘাটে রয়েছে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সুবিশাল চর ও কৃষি অধ্যুষিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বসবাস।  পূর্ব দিকে রয়েছে গ্রামীণ মেঠোপথ ও গ্রামীণ সমাজে বেড়ে ওঠা মানুষের সঙ্গে মেশার অবিরাম অপূর্ব সুযোগ। এখানে প্রকৃতির সুবিশাল সবুজ অরণ্যের সঙ্গে মিশে আছে পাখি ও ঘাসফুল। আর এ দৃশ্য যে কাউকেই ব্যাকুল করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রমণপিয়াসী মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠে মিনি কক্সবাজারেখ্যাত স্থানটি। 

মৈনটঘাটের ইজারাদার আবুল কাশেম মেম্বার জানান, সারা দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন লোক আসছে মিনি কক্সবাজার পরিদর্শনে। এ ছাড়া বৃহত্তম ফরিদপুর, রাজবাড়ীসহ মাদারীপুর জেলার অনেক লোকজন এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দিলে এই স্থানটি হয়ে উঠতে পারে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা।

দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন জানান, মৈনট মিনি কক্সবাজার এলাকাটিকে একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে।  দ্রুত সম্ভাবনাময় এই স্থানটিকে পর্যটন  শিল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পর্যটন) ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দর্শনীয় স্থানকে পর্যটনের আওতায় আনার জন্য সরকার কাজ করছে। দোহারের মিনি কক্সবাজারকে দর্শনীয় স্থানে রূপান্তর করতে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সার্বিক সহযোগিতা করা সম্ভব।  

যেভাবে যাবেন মিনি কক্সবাজার-রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানের হযরত গোলাপ শাহ (র.) মাজার এলাকা থেকে দোহার মৈনটগামী বাসে ১০০ থেকে ১২০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যাবে মৈনটঘাট মিনি কক্সবাজারে। আর যেতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

যা খেতে পারেন -মৈনটঘাটে বেশ কিছু ভাতের হোটেল আছে।  সেগুলোতে পদ্মার তীরে মৈনটঘাটে বসে দেশীয় মাছ ও ইলিশ খাওয়ার সুযোগ পাবেন। মিলবে রূপালী ইলিশ, পদ্মা বিলাস, খাবার তরি, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ বাহারি খাবারের পসরা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনুন

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনু...



২৮৪ বার পড়া হয়েছে