জনস্বার্থে মোটরসাইকেল নিবন্ধন ফি প্রায় অর্ধেক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার সহকারী সচিব মো. জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি ১০০ সিসি বা এর কম হলে পূর্বনির্ধারিত বিদ্যমান শুধু রেজিস্ট্রেশন ফি আগের চার হাজার ২০০ টাকার জায়গায় দুই হাজার টাকা হবে। আর তা ১০০ সিসির উপরে হলে পূর্বনির্ধারিত বিদ্যমান শুধু রেজিস্ট্রেশন ফি আগের ৫ হাজার ৬০০ টাকার জায়গায় তিন হাজার টাকা হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ১০০ সিসির মোটরসাইকেলের মূল নিবন্ধন ফি ৪২০০ টাকা। এর সঙ্গে সড়ক করসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দুই বছর মেয়াদের জন্য ১০ হাজার ৫৮৯ টাকা দিতে হয়। আর ১০০ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেলের জন্য মূল নিবন্ধন ফি ৫৬০০ টাকা, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দিতে হয় ১৩ হাজার ৫৯০ টাকা।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল ব্যবহারের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সওজের তথ্য বলছে, গত এক দশকে বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেড়ে চার গুণেরও বেশি হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সারাদেশে তিন লাখ ১১ হাজার ১৬টি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন করেন গ্রাহকরা। যেখানে ২০১৯ সালে নিবন্ধন নেয়া হয়েছে চার লাখ এক হাজার ৪৫২টির। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে এ সংখ্যা ছিল তিন লাখ ২৫ হাজার ৮৭৬ এবং তিন লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৫টি।
গত ১৬ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ‘বাংলাদেশ-জাপান যৌথ সরকারি-বেসরকারি অর্থনৈতিক সংলাপ’ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি বাজার মূল্যের ১০ শতাংশের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) মতামত দিতে বলা হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
পানাম সিটি প্রাইভেট ডে লং ট্যুর
Singapore Tour with Sentosa 4D/3N
Cairo, Alexandria & Sharm El Sheikh 6D/5N
সে প্রেক্ষিতে গত ১৫ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সম্প্রতি এ প্রস্তাবে সম্মতি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।
Source:Jugantor
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৩৭ বার পড়া হয়েছে





