রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে তিনজন সব খুইয়েছেন। অচেতন অবস্থায় বুধবার তাদের মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা হলেন— মাছ বিক্রেতা সোহেল রানা (৩০) ও ফাহিম আহমেদ (২৬) এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আলী আজম (৫০)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মিটফোর্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তারা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
সোহেল ও ফাহিম যাত্রাবাড়ীতে কালাম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মাছের আড়তে চাকরি করেন। আড়তের মালিক আবুল কালাম আজাদ জানান, বুধবার যাত্রাবাড়ী থেকে কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে যাওয়ার জন্য শিকড় পরিবহনে ওঠেন সোহেল ও ফাহিম। বাসেই তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। বাসটি মিরপুর ১২ নম্বরে পৌঁছানোর পর বাস চালক তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাদের পকেটে পাওয়া কাগজে তাঁর মুঠোফোন নম্বর পেয়ে বাস চালকের সহযোগী তাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। এরপরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে সোহেল ও ফাহিমকে পান। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের কিছুটা জ্ঞান ফিরে আসে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Canada Visa for Businessman
Australia Visa (for Private Service Holder)
Hanoi, Halong, Halong Bay Cruise 5D/4N
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া আরেকজন আলী আজম রায়েরবাগের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। তার ভাগনে মো. মানিক বলেন, বুধবার দুপুরে তার মামা পাওনা টাকা সংগ্রহ করতে সদরঘাট যান। পরে শ্রাবণ পরিবহনের একটি বাসে করে রায়েরবাগের কর্মস্থলে ফেরার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন।
মানিক বলেন, বাসটি গুলিস্তানে পৌঁছার পর সেখান থেকে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে তাকে ঘটনাটি জানান।পরে তিনি দ্রুত ছুটে গিয়ে আলী আজমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফিরে আসেন। তিনি দাবি করেন, আলী আজমের কাছ থেকে ৭৩ হাজার টাকা নিয়ে গেছে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
২৮২ বার পড়া হয়েছে





