করোনাভাইরাস এসে বদলে দিয়েছে আমাদের জীবনযাপনের ধরন। একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে অভ্যস্ত হচ্ছে মানুষ, অন্যদিকে বেখেয়ালে কিংবা অলসতায় কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসও গড়ে উঠছে। যারা চাকরি করেন, তাদের অনেকে বাসায় থেকেই কাজের সুবিধা পাচ্ছেন। অফিসে ছোটার তাড়া নেই বলে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হচ্ছে। আবার সকালের খাবারও খাওয়া হচ্ছে দেরিতে।

খাবারের রুটিন বদলে যাওয়ার কারণে রাতের খাবার খেতেও দেরি হচ্ছে অনেকের, গভীর রাতে খাচ্ছেন রাতের খাবার।

আপনিও যদি গভীর রাতে খাবার পর্ব সারেন, তবে এটি আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। জেনে নিন, রাতের খাবার দেরিতে খেলে কী সমস্যায় পড়তে পারেন-

ওজন বৃদ্ধি করে: রাতে শরীরের বিপাক দিনের থেকে ধীর এবং দুর্বল থাকে, যার কারণে গভীর রাতে খাওয়া খাবার হজম করতে অসুবিধা হয়। এই কারণে রাতে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যালোরি বার্ন হতে পারে না। ফলাফলস্বরূপ ওজন বেড়ে যায়।

রক্তচাপ বৃদ্ধি করে: বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস রক্তচাপের পাশাপাশি রক্তে সুগারের মাত্রাও বাড়ায়, যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে আগেভাগে রাতের খাবার সারুন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

USA Visa (Private Job Holder)

মূল্য: 5,000 Taka

Moscow, Novosibirsk & Irkutsk 7D/6N

মূল্য: 147,000 Taka

Ho chi minh -Hanoi – Halong Cruise 5D/4N

মূল্য: 49,900 Taka

ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়: বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে ক্ষুধা লাগতে পারে। তখন হাতের কাছে যা পাওয়া যায় কিংবা মুখরোচক কিছু খেয়ে পেট ভরান অনেকে। বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে, গভীর রাতে স্ন্যাকস বা খাবার খেলে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

বিরক্তি ভাব বেড়ে যায়: বেশি রাতে খাচ্ছেন মানে রাতে ঘুমের রুটিন আপনি ঠিকভাবে মানছেন না। এ কারণে দেখা দিতে পারে খিটখিটে স্বভাব। আপনার যদি পর্যাপ্ত মাত্রায় ঘুম না হয় তাহলে এটি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না, ফলে বিরক্তির সৃষ্টি হয়।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪২৮ বার পড়া হয়েছে