রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। চূড়ান্ত আবেদনের জন্যও সময় ও জিপিএ নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় আইসিটি সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. বাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২১ এর জন্য প্রাথমিক আবেদনকারীদের মধ্যে হতে এইচএসসি ফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত আবেদনকারী নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিটের বিভিন্ন শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় চূড়ান্ত আবেদনের জন্য জিপিএ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমপর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫, মানবিক বিভাগের ৪.৪৩ এবং বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৯২ থাকতে হবে।
বি ইউনিটের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫, মানবিক শাখায় জিপিএ ৪.৫, বাণিজ্য শাখার ক্ষেত্রে ৪.৯২ থাকতে হবে। সি ইউনিটের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ-৫, মানবিক শাখায় জিপিএ-৫, বাণিজ্য বিভাগের জন্য জিপিএ ৪.৯২ থাকতে হবে।
একই জিপিএ প্রাপ্ত একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে এইচ/সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে। এদিকে বি ইউনিটের বাণিজ্য শাখার সব প্রাথমিক আবেদনকারী চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
আইসিটি পরিচালক ড. বাবুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, তিনটি পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। যে কোনো পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীকে অবশ্যই সেই পর্যায়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai (City tour- Dhow Cruise- Desert safari- Abu Dhabi tour) 5D/4N
মায়ানমার ভিসা (ভিজিট ভিসা)
শ্রীলংকা ভিসা (বিজনেসম্যান)
পরে আবেদনের আর কোনো সুযোগ থাকবে না। প্রথম পর্যায় ২৩ মার্চ দুপুর ১২টা হতে শুরু হয়ে ২৭ মার্চ বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলবে। দ্বিতীয় পর্যায় ২৭ মার্চ রাত ৮টায় শুরু হয়ে ২৯ মার্চ বিকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে। তৃতীয় পর্যায় ২৯ মার্চ রাত ১০টায় শুরু হয়ে ৩১ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত চূড়ান্ত আবেদন করা যাবে।
উল্লেখ্য, রাবির প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষা এবারে তিনটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন। তিন ইউনিটে মিলে প্রাথমিক আবেদনে উত্তীর্ণ এক লাখ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী চূড়ান্ত আবেদন করার সুযোগ পাবে। চূড়ান্ত আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ১০০ টাকা।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩২৯ বার পড়া হয়েছে





