বিগত কয়েক বছর ভারতের গাড়ি শিল্পে মন্দা চলছিল। করোনাভাইরাস অতিমারি ভারতের গাড়ি শিল্পের জন্য সুখবর নিয়ে আসতে পারে। সম্প্রতি Maruti Suzuki চেয়ারম্যান আর সি ভার্গভ জানিয়েছেন, লকডাউন শেষ হলে ভারতে গাড়ি বিক্রি বাড়তে পারে। লকডাউনের পরেও সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে মানুষ সামাজিক দূরত্ব চালিয়ে যাবে। “ভারত আগের মতো থাকবে না, মানুষের মানসিকতা অনেকটা বদলে যাবে।” টেলিফোনে এক সাক্ষাতকারে বলেন তিনি।
মার্চে ভারতে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রি 52 শতাংশ কমেছে। এই সময় দেশের এক নম্বর গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানির প্রধানের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন 3 মে পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন চলবে।
সম্প্রতি চিনে ধীরে ধীরে লকডাউন খুলতে শুরু করেছে। সেখানে বিভিন্ন ডিলারদের শো-রুমে ভিড় চোখে পরেছে। গাড়িতে যাতায়াতে বেশি সুরক্ষিত মনে করছেন চিনের নাগরিকরা।
লকডাউনের কারণে গটা দেশে গাড়ি উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় বিভিন্ন ডিলারের শো-রুমে 4 লক্ষ কর্মী কাজ হারাতে পারেন। কারখানা বন্ধ থাকলে প্রতিদিন 2300 কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কোম্পানিগুলি।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Water Lodge
ইস্তানবুল, কাপাডোসিয়া ও কুসাডাসি ৭দিন ৬রাত
USA Visa (Private Job Holder)
লকডাউনের পরে কাজ শুরু হলে মারুতি সুজুকিকে কারখানায় কর্মী সংখ্যা কমাতে হবে। সেই বুঝে উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করবে কোম্পানি। ভার্গভ বলেন, “কর্মীদের সুরক্ষিত রাখা একটি কঠিন কাজ হতে চলেছে।”
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৫০০ বার পড়া হয়েছে





