সামনের বছর মহাসড়কে স্বচালিত গাড়ি নামানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাজ্য। কিন্তু এই পরিকল্পনা মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের বীমা প্রতিষ্ঠান থ্যাচাম রিসার্চ।
BBC’র প্রতিবেদন বলছে, গাড়ি চালনার ক্ষেত্রে মানব চালকের মতো সক্ষমতা এখনও স্বচালিত গাড়ির প্রযুক্তিতে আসেনি বলে শুক্রবার দাবি করেছে বীমা প্রতিষ্ঠানটি।
২৭ অক্টোবর স্বচালিত গাড়ির প্রযুক্তি বিষয়ে একটি নীতি বাতিল করবে যুক্তরাজ্য সরকার। ফলে মহাসড়কে চলার অনুমোদন পাবে কিছু ধরনের স্বচালিত ব্যবস্থা। এর মধ্যে থাকছে অটোমেটেড লেইন কিপিং সিস্টেমস (এএলকেএস)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে স্টিয়ারিং হুইল থেকে হাত সরাতে পারবেন চালক। গাড়িটি তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে।
BBC-র প্রতিবেদন বলছে, উন্নত স্বচালিত প্রযুক্তিতে এখন এগিয়ে রয়েছে জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাইমলার এজি এবং মার্কিন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা। এই স্বচালিত ফিচারগুলো নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠান দু’টি।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai (City tour- Abu Dhabi tour) 4D/3N
মিশর ভিসা (চাকুরীজীবী)
USA Visa (for Businessman)
এদিকে থ্যাচাম রিসার্চ বলছে, মহাসড়ক বন্ধ কি না তা শনাক্ত করতে পারবে না বর্তমান প্রযুক্তি। এছাড়াও রাস্তায় গর্ত এবং পথচারী শনাক্ত করতে পারবে না এই প্রযুক্তি।
অ্যাভেরি বলছেন, “এই প্রযুক্তি এখনও ওই পর্যায়ে আসেনি, নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যাই বলুক না কেন।” একই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরাও। এখানে বীমা খাতের সমস্যা হলো, চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তাকে যাত্রী হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং বেশি প্রিমিয়াম দেওয়া লাগতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বিবিসি।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৪০ বার পড়া হয়েছে





