রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো তিন দিনব্যাপী ‘ইসেট ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১৯’। মেলার শেষদিন শনিবার সকাল থেকেই ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। এতে বিক্রি ভালো হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্টল মালিকসহ আয়োজক সংস্থা।
আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি) ঘুরে ক্রেতা, বিক্রেতা ও আয়োজক সংস্থার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
দেখা যায়, নির্ধারিত সময় সকাল ১০টায় মেলা শুরুর পর থেকেই দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড় ছিল স্টলগুলোতে। ক্রেতাদের জন্য ছাড়, অফার ও বিভিন্ন ধরনের উপহারের পসরা সাজিয়ে রাখে ব্র্যান্ডগুলো। একটু পরপর মাইকে স্টলগুলো থেকে ছাড়, অফার ও উপহারের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। ল্যাপটপ প্রদর্শনীর শেষ দিন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভিড়ও ছিল লক্ষণীয়।
আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে দিনের শুরু থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে টিকিট বুথের সামনে লাইন ধরে টিকিট কিনতে দেখা গেছে লোকজনকে। বিক্রিও বেশ ভালো ছিল। মেলায় পাওয়া গেছে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পণ্য ও ল্যাপটপের আনুষঙ্গিক গ্যাজেট। বিশেষ ছাড়, উপহারের পাশাপাশি মেলায় বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপের মোড়কও উন্মোচন করা হয়।
মেলার আয়োজক এক্সপো মেকারের এজিএম সিরাজুল ইসলাম সার্থক বলেন, ক্রেতাদের সমাগম বেশ ভালো ছিল। শেষ দিনও প্রচুর মানুষ মেলায় এসেছেন। বিক্রিও ছিল বেশ।
তিনি বলেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতার ভিড় বাড়ে। শেষদিনেও প্রচুর বেচাবিক্রি হয়। এদিকে ল্যাপটপ কেনার উদ্দেশে নরসিংদীর অরবিট ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্র মোহাম্মদ আব্দুর রহমান সাগর এসেছিলেন মেলায়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Water Lodge
USA Visa (Private Job Holder)
Singapore Tour with Universal Studios & Sentosa 5D/4N
অফারে ল্যাপটপ পাওয়ার আনন্দে আত্মহারা তিনি। বলেন, ২৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে এইচপি ল্যাপটপ কিনেছি, কুপনে ২০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড পেয়েছি। একই সঙ্গে আরও অনেক গিফট পেয়েছি। পুরো ল্যাপটপটিই আমার ফ্রিতে হয়ে গেছে।
অপরদিকে মেলায় বেচা-বিক্রিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেট স্টার প্রাইভেট লিমিটেডের কো-অর্ডিনেটর মাহমুদুলস্নাহ সবুজ। তিনি বলেন, অন্যান্যবারের চেয়ে এবারের মেলায় বেচাবিক্রি ভালো। প্রচুর লোক এসেছেন এবং কিনছেন। এতে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি আরও বলেন, ‘মেলা উপলক্ষে আসুস থেকে প্রতিটি ল্যাপটপের ওপরেই বিশেষ ছাড় রয়েছে। যা আগামীকাল থেকে আর পাওয়া যাবে না।’
এবারের মেলায় একটি টাইটেল স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, চারটি স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, ২৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ১০টি স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করে। মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইসেট।
ল্যাপটপের বাইরে প্রদর্শনীতে পাওয়া যাচ্ছে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পণ্য ও ল্যাপটপের আনুষঙ্গিক গ্যাজেট। বিশেষ ছাড়, উপহারের পাশাপাশি মেলায় বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপের মোড়কও উন্মোচন করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারও মেলার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কুইজে অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেন মেলায় আগত দর্শনার্থীরা।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৯২৮ বার পড়া হয়েছে





