আপনার করোনা টেস্টের রেজাল্ট পজেটিভ এসেছে এবং অন্যকে সংক্রামিত না করার দায়বদ্ধতা থেকে নিজেকে দুই সপ্তাহের জন্য আইসোলেশনে রেখেছিলেন। এখন, আপনি সুস্থ বোধ করছেন এবং মনে করছেন, আপনার বন্ধু বা পরিবারের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই, তাই তো?
কোভিড-১৯ রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে আপনি এখনও সংক্রামক কিনা তার উত্তর হলো: গবেষণায় ব্যবহৃত নাকের সোয়াব নমুনার আরটি-পিসিআর টেস্টের ‘ফলস নেগেটিভ’ রেট ছিল ২০ শতাংশ। যার মানে কোভিড-১৯ রোগের প্রতি পাঁচটি নেগেটিভ রেজাল্টের একটি ভুল হতে পারে এবং রোগীরা এখনও অন্যকে সংক্রামিত করতে পারে।
গবেষকরা ইতালির রেজিও এমিলিয়া প্রদেশে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোভিড-১৯ রোগীকে নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই রোগীদের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২৬০ জন রোগীর করোনা সম্পূর্ণভাবে দূর হয়েছিল এবং ৪০০ এর বেশি রোগী মারা যায়। প্রথম করোনা পজেটিভ টেস্ট করার পর কারো কারো ক্ষেত্রে ভাইরাসটি শরীর থেকে নির্মূল হতে গড়ে সময় লেগেছে ৩১ দিন।
রোগীদর পুনঃপরীক্ষা করা হয় প্রথমবার পরীক্ষা করার ১৫ দিন পর, দ্বিতীয় পরীক্ষার ১৪ দিন পর এবং তৃতীয় পরীক্ষার ৯ দিন পর। গবেষকরা দেখতে পান, প্রায় ৬১ শতাংশ রোগীর শরীর থেকে ভাইরাসটি নির্মূল হয়েছে। তবে, টেস্টের ফলস নেগেটিভ রেট ছিল এক-চতুর্থাংশের কিছু কম।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Australia Visa for Lawyer
Australia Visa (for Govt Service Holder)
Kathmandu-Pokhara 5D/4N
গবেষকদের মতে, ভাইরাস দূর হতে রোগ নির্ণয় হওয়ার পর ৩০ দিন এবং রোগীর শরীরে লক্ষণ দেখা যাওয়ার পর ৩৬ দিন সময় লাগতে পারে। বয়স্ক এবং যাদের রোগের তীব্রতা বেশি তাদের ক্ষেত্রে সময়টা আরো বাড়তে পারে।
গবেষণাপত্রটি বিএমজে ওপেন জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মাত্র ৩৭ লক্ষ টাকায়!১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মা...
৩৩১ বার পড়া হয়েছে





