শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধায় নগদ মূল্যে এবং বিনা সুদে সহজ কিস্তিতে ল্যাপটপ দিচ্ছে দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। করোনার দুর্যোগের মধ্যে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ওয়ালটনের এ উদ্যোগ। প্রাথমিকভাবে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া শুরু করেছে ওয়ালটন।
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সহজ শর্তে ল্যাপটপ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল বুধবার ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল শিক্ষা সহায়ক উপকরণ প্রদান’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে ল্যাপটপ তুলে দেওয়া। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির উদ্যোগ হাতে নিই। ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমরা ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন আমদানি করতাম। কিন্তু ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ডিজিটাল ডিভাইসের ৯৬টি কমপোনেন্টের ওপর আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ করা হয়। আমাদের সরকারের যুগোপযোগী এই সিদ্ধান্তের কারণে ওয়ালটনের মতো আটটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন তৈরি এবং সংযোজন করছে। এমনকি ওয়ালটনের পণ্য জার্মানি এবং আমেরিকার মতো উন্নত দেশে রপ্তানি হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ সুবিধায় শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দিতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ এবং ওয়ালটনের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওয়ালটনের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন কম্পিউটার বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী লিয়াকত আলী। এ সময় ১৬ জন শিক্ষার্থীর হাতে ডিজিটাল শিক্ষা সহায়ক উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Vietnam & Cambodia 7D/6N
Day Long Package
সিঙ্গাপুর ভিসা (চাকুরীজীবী)
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় ফ্রিল্যান্সারদের মাঝে বিনা সুদে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে ওয়ালটনের ল্যাপটপ দেওয়া হচ্ছে।
লিয়াকত আলী বলেন, ‘ওয়ালটনের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বিনা সুদে মাত্র এক হাজার টাকা মাসিক কিস্তিতে ল্যাপটপ দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরও বিশেষ সুবিধায় ল্যাপটপ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪৩৬ বার পড়া হয়েছে





