শিক্ষা বোর্ডগুলোর আইনে পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়া ফল প্রকাশের কোনো বিধান নেই। এ কারণে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আইন সংশোধন হচ্ছে। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ১৯৬১’ এবং সংশোধিত ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৮’ ও ‘বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২০’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়াই যে কোনো দুর্যোগে ফল প্রকাশ করতে পারবে শিক্ষা বোর্ডগুলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা এ অনুমোদন দেয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রান্ত থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ১৮ জানুয়ারি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে সংশোধিত আইন উপস্থাপন ও পাশের পর এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশে সংশোধিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আইন অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন আর অধ্যাদেশ হচ্ছে না। সংশোধিত আইন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন পরীক্ষা নিতে সক্ষম না হলে মূল্যায়ন তথা ফলাফল দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশের বিধান নেই।
এছাড়া বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছিল অধ্যাদেশ করে আগামী বুধবার, বৃহস্পতিবার বা শনিবারের মধ্যে (এইচএসসি) ফলাফল দেওয়া যায় কি না। কিন্তু আগের আইনের বিধান হলো, পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল দিতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আর মাত্র সাত দিন পর সংসদ বসবে। কেবিনেট সিদ্ধান্ত দিয়েছে, এখন যদি আমরা অর্ডিন্যান্স করি, তবে আবার অর্ডিন্যান্স গিয়ে পার্লামেন্ট থেকে এসে ভেটিং করতে করতে সময় পাওয়া যাবে না। কারণ মাত্র ১০ দিন পার্লামেন্ট বসবে। অধিবেশনের প্রথম দিনই পাশ করে ফেলা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে, এটা অর্ডিন্যান্স করার দরকার নেই। এটা ভেটিং সাপেক্ষে সরাসরি অনুমোদন দেওয়া হলো। প্রথম দিনই এটা পুটআপ করে দুই-তিন দিনের মধ্যে আইন করে যাতে ২৫, ২৬ বা ম্যাক্সিমাম ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ফলাফল দিয়ে দেওয়া যায়।
প্রতি বছর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে থাকলেও এবার মহামারির কারণে পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
ফিচার বিজ্ঞাপন
মৈনট ঘাট প্রাইভেট ডে লং ট্যুর
Paradise island, Maldives, 4D/3N
USA Visa (Lawyer)
করোনা মহামারির কারণে এ বছর পরীক্ষা না নিয়ে এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এজন্য জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে ফল ঘোষিত হবে।
Source: Ittefaq
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
Online Shopping BD (Facebook Live)৩৫১ বার পড়া হয়েছে





