শ্রমিকদের জন্য তাৎক্ষণিক ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি। সোমবার দেশটির শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অধীনে কিওয়া পোর্টালের মাধ্যমে এই সেবা পাওয়া যাবে।

শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে নতুন এই ভিসার জন্য রেজিস্টার করতে পারবেন বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকর্তারা। বেসরকারি সেক্টরের যেসব প্রতিষ্ঠান সৌদির জাতীয়করণ প্রকল্পের ক্ষেত্রে শীর্ষে আছে এবং মন্ত্রণালয়ের নিয়মনীতি পুরোপুরি মেনে চলছে তারাই সহজে এই ভিসা পাবে।

আগে স্বাভাবিক নিয়মে শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে ভিসা পেতে সময় লাগত প্রায় ৮ মাস। কিন্তু এখন আর এতো সময় অপেক্ষা করতে হবে না। তবে নতুন এই ভিসা সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার আগে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবশ্যই কিছু বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে। নতুন এই ভিসা সার্ভিসের মাধ্যমে সৌদিতে জাতীয়করণের হার বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘স্থানীয়করণ বনাম তাৎক্ষণিক নিয়োগ’-এর অধীনে উল্লেখযোগ্য হারে জাতীয়করণ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সেবা চালু হচ্ছে। যে প্রতিষ্ঠানে যত বেশি সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা তত বেশি শ্রমিককে তাৎক্ষণিক ভিসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Water Lodge

মূল্য: ১২,৫০০ টাকা / রাত

Moscow, Novosibirsk & Irkutsk 7D/6N

মূল্য: 147,000 Taka

Cambodia (Phnom Penh & Siem Reap) 6D/5N

মূল্য: 43,900 Taka

এক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে মন্ত্রণালয়। এর অধীনে সেসব প্রতিষ্ঠানই এমন ভিসা সুবিধা পাবে যারা মধ্যম সবুজ ক্যাটাগরিতে রয়েছে এবং উচ্চহারে জাতীয়করণে সহায়তা করছে। এ ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানকে টানা ১৩ সপ্তাহ মধ্যম সবুজ ক্যাটাগরি অথবা গত ৫২ সপ্তাহে অন্তর্বর্তী ২৬ সপ্তাহ এই ক্যাটাগরিতে থাকতে হবে।

পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানের বৈধ ওয়ার্ক পারমিটও থাকতে হবে এবং তাদেরকে ওয়েজ প্রটেকশন প্রোগ্রাম মেনে চলতে হবে।
নতুন এই কিওয়া প্লাটফর্ম ঘোষণার মাধ্যমে শ্রম মন্ত্রণালয় সৌদির শ্রমবাজারে দক্ষ শ্রমিক নিয়োগের হার বাড়াতে চাইছে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৮৮৩ বার পড়া হয়েছে