করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর অন্যতম উপায় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা। সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে। এ জন্য সারা দেশে অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ মুহূর্তে বন্ধ। তবু কিছু মানুষকে কাজ করতে, বাজার করতে কিংবা জরুরি কাজে বাড়ির বাইরে যেতে হচ্ছে। এই ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাড়িতে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। কাজেই এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা দিয়েছে।

১. বাইরে থেকে বাসায় ফিরে ঘরের কোনো কিছু স্পর্শ করা যাবে না।

২. জুতা খুলুন। সম্ভব হলে বাড়ির দরজার বাইরেই জুতা জোড়া রেখে আসুন।

৩. বাইরে পরা জামাকাপড়গুলো দ্রুত খুলে পরবর্তী সময়ে ধোয়ার জন্য একটা ব্যাগে ভরে ফেলুন। পরে এই কাপড় ধোয়ার জন্য গরম পানি ও ক্ষারযুক্ত সাবান (ব্লিচও হতে পারে) ব্যবহার করুন।

৪. বাড়ির দরজার কাছে একটা বাক্স রাখুন, যেখানে আপনার মানিব্যাগ, চাবি, পার্স বা হাতব্যাগ, ঘড়ি ইত্যাদি জিনিস খুলে রাখবেন।

৫. এবার সোজা বাথরুমে ঢুকে ভালোভাবে সাবান-পানি দিয়ে হাত-মুখ-পা ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে গোসল করে নিন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

জাকার্তা ও বালি ৭দিন ৬ রাত

মূল্য: ৩৩,০০০ টাকা

৬. নিজের চশমা আর সেলফোন সাবান পানির স্প্রে বা ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করুন।

৭. আপনি যদি বাইরে থেকে কিছু সঙ্গে নিয়ে এসে থাকেন (যেমন বাক্স, প্যাকেট ইত্যাদি), তবে তা জীবাণুনাশক (যেমন ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত দ্রবণ) দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে নিন। তার আগে অবশ্যই হাতে গ্লাভস পরে নিন।

৮. সব পরিষ্কার করা হয়ে গেলে হাতের গ্লাভস খুলে মুখ বন্ধ ডাস্টবিনে ফেলে দিন। তারপর আবার হাত দুটো ধুয়ে ফেলুন।

ডা. তানজিনা হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৭৩ বার পড়া হয়েছে