করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের চতুর্থদিনেও কার্যত ফাঁকা রয়েছে রাজধানী ঢাকা। একদিকে বিধিনিষেধের কড়াকড়ি, অন্যদিকে সকাল থেকেই টানা গুঁড়ি গুঁড়ি ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিতে ঘরবন্দীই রয়েছেন রাজধানীবাসী।
রোববার (৪ জুলাই) রাজধানীর ধানমন্ডি, মৎস ভবন ও শাহবাগ এলাকাঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। সরেজমিনে সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এসব এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সড়কে রিকশাসহ অল্প কিছু যানবাহন চলছে। পুলিশের চেকপোস্ট ও সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে। পথচারীর সংখ্যা তৃতীয় দিনের তুলনায় খুবই কম ছিল। প্রধান প্রধান সড়কে দু’একটা প্রাইভেককার দ্রুততার সঙ্গে ছুটে গেলেও খুব একটা দেখা মেলেনি সিএনজি-রিকশা ও মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন। তবে নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্রের তাগিদে অলিগলির মুদি দোকান ও কাঁচা বাজারে সামান্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
কেরানীগঞ্জ এলাকাঘুরে দেখা যায়, মানুষ ও ব্যক্তিগত যানচলাচল অন্যদিনের চেয়ে তূলনামূলক অনেক কম। তবে কিছু মানুষজনকে অফিসের উদ্দেশে যেতে দেখা গেছে। পুলিশও তৎপর রয়েছে। দুপুর পর্যন্ত কদমতলী কেরানীগঞ্জ এলাকায় কাউকে আটকও করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাখালী রেলক্রসিং, আমতলী, ডিওএইচএস এলাকাঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টি কমার পর রাস্তায় মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। রাস্তায় গাড়ির চাপ রয়েছে। ভাড়ায় চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা।
ফিচার বিজ্ঞাপন
ব্যাংকক-ফুকেট-ফিফি আইল্যান্ড-সাফারি ওয়ার্ল্ড
US Visa (Spouse)
কালিজিরার তেল
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ছয়টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন, শপিং মল থেকে শুরু করে সরকারি ও বেসরকারি অফিস সমূহ।
Source: Sarabangla
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
২৯১ বার পড়া হয়েছে





