সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন ও রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চারটি ব্যাংকের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ব্যাংক চারটি হচ্ছে- সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগ এবং বাস্তবায়নকারী পাঁচ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারক সই করেন।

আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীরা ঋণ সুবিধা পাবেন বলে জানান কর্মকর্তারা।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ দিতে গত ৩১ জুলাই নীতিমালা জারি করে অর্থ বিভাগ।

পরিপত্র অনুযায়ী, দেশের যে কোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ, জমিসহ তৈরি বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনায় সরকারি চাকরিজীবীরা ঋণ পাবেন।

জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেডভেদে ২০ লাখ টাকা থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণের মোট সুদহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। তবে এ ১০ শতাংশ সুদের ৫ শতাংশ সরকার এবং বাকি ৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবেন। ঋণ পরিশোধের মেয়াদকাল হবে সর্বোচ্চ ২০ বছর।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Dubai (City Tour) 4D/3N

মূল্য: 12,900 Taka

Maldives (Centara Ras Fushi Resort & Spa) 3D/2N

মূল্য: ৫৯,৯০০ টাকা

জাকার্তা ও বালি ৭দিন ৬ রাত

মূল্য: ৩৩,০০০ টাকা

ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতা হিসেবে গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের জন্য আবেদনকারীর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী হতে হবে এবং সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৬ বছর। কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু ও দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ নীতিমালার আওতায় ঋণ গ্রহণের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী এ নীতিমালার আওতায় ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

ঢাকা মহানগরী, সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদর, জেলা সদর এবং অন্য এলাকার জন্য ঋণের সর্বোচ্চসীমা পঞ্চম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তার জন্য যথাক্রমে ৭৫ লাখ, ৬০ লাখ ও ৫০ লাখ টাকা, নবম থেকে ষষ্ঠ গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ৬৫ লাখ, ৫৫ লাখ ও ৪৫ লাখ টাকা, ১৩তম থেকে দশম গ্রেডের জন্য ৫৫ লাখ, ৪০ লাখ ও ৩০ লাখ টাকা, ১৭তম থেকে ১৪তম গ্রেডের জন্য ৪০ লাখ টাকা, ৩০ লাখ টাকা ও ২৫ লাখ টাকা, ২০তম থেকে ১৮তম গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ৩৫ লাখ টাকা, ২৫ লাখ টাকা ও ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,১৫৮ বার পড়া হয়েছে