আদা চা: ঠান্ডার সমস্যা সারাতে আদা চায়ের মতো আর কিছুই আমাদের এতটা স্বস্তি দেয় না! মশলা চা বা আদা চা গলা খোলার দুর্দান্ত উপায়। আদা শ্লেষ্মা ঝিল্লির প্রদাহকে কমিয়ে দেয় যা নাকের ভেতর এবং সাইনাস গহ্বরকে সীমাবদ্ধ করে। এটি শ্লেষ্মা কাটাতে সহায়ক।
হাইড্রেটেড থাকুন: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো, আপনি যখন সর্দিতে আক্রান্ত হন তখন হাইড্রেটেড থাকা দরকার। পানি, বিভিন্ন ফলের রস, স্যুপ কিংবা হালকা গরম লেবু-পানিতে কিছু মধু মিশিয়ে খেলেও তা পানিশূন্যতা কাটাতে সাহায্য করবে। অ্যালকোহল, কফি এবং এরিটেড পানীয়গুলোএড়িয়ে চলুন যা ডিহাইড্রেশনকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
গরম পানির ভাপ: ইউক্যালিপটাস বা টি ট্রি অয়েলে কয়েক ফোঁটা বা দুটি একসাথে পানিতে মিশিয়ে গরম ভাপ নিলে তা আপনার বন্ধ নাক খুলে দেবে। কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস বা টি ট্রি অয়েল ফুটন্ত গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে একটি পাত্রে ঢেলে নিন। এবার আপনার মুখটি পাত্র বরাবর ধরে রাখুন যেন নিঃশ্বাসের সঙ্গে গরম ভাপ নেয়া সহজ হয়। খেয়াল রাখবেন, গরম পানি পড়ে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।
হালকা গরম পানিতে গার্গলিং: প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপর লবণ মেশানো হালকা গরম পানিতে গার্গল করুন। এটি আপনার ঘা এবং ক্ষতিকারক গলায় কিছুক্ষণের জন্য স্বস্তি এনে দেবে। খেয়াল রাখবেন, পানি যেন খুব বেশি গরম না হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
তুরস্ক ভিসা (বিজনেসম্যান)
ভিয়েতনাম- ইন্দোনেশিয়া ৭দিন ৬ রাত
ইস্তানবুল, কাপাডোসিয়া ও আন্টালিয়া ৮দিন ৭রাত
ভিটামিন সি: ভিটামিন সি রয়েছে এমন প্রচুর ফল এবং শাকসবজি খেতে হবে। এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেবুপানি, কমলা, শাকসবজি, কাঁচা মরিচ এবং অন্যান্য ফল এবং শাকসবজি ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। লেবুর রস ও মধু চায়ে যোগ করে পান করলে তা কফ কমাতে সহায়তা করে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৫৬ বার পড়া হয়েছে





