দেশের আবাসন খাতে অর্ধেকের বেশি চাহিদা আসে মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে। তাঁরা মূলত খোঁজেন ১০০০ থেকে ১৫০০ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্ট। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে ঢাকার অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশেই আধুনিক ফ্ল্যাট তৈরি করছে দেশের অন্যতম আবাসন প্রতিষ্ঠান র‌্যাংগস প্রপারটিজ লিমিটেড।

প্রথাগত স্থাপত্য নকশা থেকে একটু আলাদা এই প্রকল্পের বাইরের অংশের পুরোটাই থাকছে লাল ইটে আবৃত।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান স্থপতি ওয়াহিদুর রহমান বলেন, স্পেসের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেই ডিজাইন করা হয়েছে প্রকল্পটির। ছোট ছোট অনেক বারান্দার বদলে প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের নকশায় বড় বারান্দা করা হয়েছে। এই বারান্দা বেশি কার্যকর। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টেই তিনদিক উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আসা-যাওয়া করতে পারে। প্রকল্পের ছাদ পুরোটাই সাজানো হবে একটি পার্কের আদলে। এখানে বসবাসকারীদের জন্য এটি হবে বাড়তি পাওনা।

বসুন্ধরা-সংলগ্ন অ্যাপোলো রোডে ২৫ কাঠা জায়গা জুড়ে র‌্যাংগস কোর্ট ইয়ার্ড প্রকল্পের দুটি টাওয়ারে মোট ৮০টি অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে প্রকল্পের ভিত্তি ও বেসমেন্টের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় অর্ধেক খোলা জায়গা রেখে তৈরি এই প্রকল্পের ভেতরেই আছে শিশুদের খেলার জায়গা, কমিউনিটি স্পেস, সুইমিংপুল, আধুনিক ব্যায়ামাগার, ছাদে ওয়াশিং মেশিন রাখার আলাদা ব্যবস্থা ও হাঁটার জন্য জগিং ট্র্যাকের মতো বাড়তি বেশ কিছু সুবিধা। এর সবই মিলছে মাত্র ৮৫ লাখ টাকায়।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Kandy, Nuwara Eliya & Colombo 5D/4N

মূল্য: 30,900 Taka

এই প্রকল্পে ১৩১৮ বর্গফুট থেকে সর্বোচ্চ ১৩২৫ বর্গফুট আকারের ফ্ল্যাট রয়েছে। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ব্যবস্থাও থাকছে এই প্রকল্পে। প্রথম আলো অনলাইন আবাসন মেলা উপলক্ষে র‌্যাংগস কোর্ট ইয়ার্ড প্রকল্পে বুকিং দিলেই থাকছে আকর্ষণীয় উপহার।

কোর্ট ইয়ার্ড ছাড়াও র‌্যাংগস প্রপার্টিজের নির্মাণাধীন প্রকল্প রয়েছে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও উত্তরা এলাকায়। এ নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে প্রথম আলো অনলাইন আবাসন মেলায় র‌্যাংগস প্রপার্টিজের স্টলে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৬৪৯ বার পড়া হয়েছে