জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত এক কর্নেল ও তাঁর স্ত্রীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন অপর দুই আসামি। বুধবার ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সৈয়দা হাফছা এ রায় দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ওই আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাজহারুল হক।
এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান, তাঁর স্ত্রী ফারজানা আঞ্জুম খান। খালাস পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন খোরশেদ আলম পাটোয়ারী ও সৈয়দ আকিদুল আলী। আর বিচার চলাকালে মারা যান আসামি জহুরুল হক খন্দকার।
এর আগে অস্ত্র মামলায় গত বছরের ১০ নভেম্বর ঢাকার আরেকটি আদালত শহীদ উদ্দিন খান ও তাঁর স্ত্রী ফারজানা আঞ্জুম খান এবং খোরশেদ আলম পাটোয়ারী ও সৈয়দ আকিদুল আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তাঁদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ও তাঁর স্ত্রী পলাতক। এ ছাড়া আয়কর ফাঁকির মামলায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ঢাকার একটি আদালতে শহীদ উদ্দিন খানের ৯ বছরের কারাদণ্ড হয়।
জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত কর্নেলের বাসায় অভিযান চালিয়ে দুটি পিস্তল, ছয়টি গুলি ও দুটি শটগান, তিন লাখ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক তিনটি মামলা হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Manila 5D/4N
Vietnam & Cambodia 7D/6N
Premium Villa
জাল টাকা উদ্ধারের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১০ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সরকার ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।
আদালত সূত্রগুলো বলছে, শহীদ উদ্দিন খান, তাঁর স্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে ২০১৯ সালের ২১ মার্চ মামলা করে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মামলাটি তদন্তাধীন।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
২৮৯ বার পড়া হয়েছে





