সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আমরা কখনো কখনো একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলি। তখন আর কোনো কিছুরই প্রকৃত সৌন্দর্যটা থাকে না। কোথায় যেন একটু ছন্দপতন হয়ে যায়। বাড়ি সাজানোর সময় সেটা বেশি হয়।

বাড়ির অন্দরে যদি বাড়তি জায়গা না থাকে, তবে অতিরিক্ত আসবাব সৌন্দর্যে খানিকটা বিঘ্ন ঘটায়। যেহেতু শহরের বাসাবাড়িতে পছন্দমতো বাড়তি জায়গা পাওয়া একটু কষ্টকর, তাই আয়তন বুঝে যদি অল্প আসবাবেই সাজানো যায় ঘর; তবে তা হয়ে ওঠে আরও নান্দনিক, আরও আপন। আপনার ঘরের হালকা আসবাব ফিরিয়ে আনতে পারে অন্দরের সৌন্দর্য।বিজ্ঞাপন

জানালার সামনে দুটি চেয়ার যুক্ত করে আনা হয়েছে সোফার আদল। পাশের বেঞ্চেও আছে বসার আয়োজন। দেয়ালে সাদা রং, সঙ্গে কন্ট্রাস্ট নীল কুশন কভার। এদিকে মেঝেতে শতরঞ্জির ওপর রাখা হয়েছে নিচু টেবিল। বসার ঘরে আসবাব বলতে শুধু এটুকুই। হালকা ছিমছাম অল্প আসবাবেই যেন ঘরে এসেছে আভিজাত্য।

শোয়ার এই ঘরে নেই কোনো বাড়তি আসবাবের বাহুল্য। মেঝেতেই থাকছে ঘুমানোর আয়োজন। ঘরের এক কোণে সবুজের আয়োজনে কোনো ধরনের আসবাবের ব্যবহার ছাড়াই সতেজ হয়েছে ঘরটি।বিজ্ঞাপন

ফিচার বিজ্ঞাপন

Singapore Tour with Sentosa 4D/3N

মূল্য: ২৪,৯০০ টাকা

ইস্তানবুল ৪দিন ৩ রাত

মূল্য: ২৯,৯০০ টাকা

বসার ঘরে চর্তুভুজাকৃতিতে সাজানো হয়েছে সোফা। আসবাবে নেই কোনো জমকালো কারুকাজ। দিনের আলো যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য জানালা, দরজায় নেই পর্দার আয়োজন। ঘরটি যদিও এমনিতেই বেশ বড়, তারপরও হালকা আসবাব আর দিনের আলোর ব্যবহারে তা পেয়েছে বিশালতা।

ডিভান আর বড় টুলে বসার আয়োজন ছাড়া আর কোনো আসবাব নেই এই ঘরে। খাবার পরিবেশনের জন্য থাকছে শতরঞ্জির ওপর ছোট টুলের ব্যবস্থা। হালকা আসবাবে ঘর সাজাতে গাছের জুড়ি মেলা ভার। এখানে কর্নারে থাকছে গাছের আয়োজন, সঙ্গে বাড়তি নান্দনিকতা যোগ করেছে পটারিতে রাখা গাছের ডালটি।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৮৬ বার পড়া হয়েছে