সিলেটে চলাচলের উপযোগিতা (ইকোনমি লাইফ) শেষ হওয়ার পরেও সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কয়েক হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা। আইন অনুসারে এসব অটোরিকশা অকেজো (স্ক্র্যাপ) করার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। অবশ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ বলছে, মন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কিত প্রস্তাব পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত নীতিমালা করা হয়নি, এজন্য সিলেটের মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করার কোন পদক্ষেপ আসেনি। তবে শিগগিরই নতুন করে আবারও বৈঠক করে এ বিষয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আর শ্রমিক নেতাদের ভাষ্য, এ বিষয়ে সমন্বয়হিনতা রয়েছে। এ কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরেও এসব অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করার কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ফলে ঝুঁকি থাকলেও এসব যান সড়কে চলাচল করছে।
বিআরটিএ সিলেট অফিস সূত্রে জানা যায়, সিলেটে বর্তমানে ১৯ হাজার ৩০২টি সিএনজি অটোরিকশা নিবন্ধিত রয়েছে। প্রথমদিকে ২০০০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৯ হাজার ৮০৭টি থ্রি হুইলার অটোরিকশা চলাচলের অনুমোদন পায়। এর মধ্যে প্রায় ৫ হাজার অটোরিকশার অর্থনৈতিক মেয়াদকালই শেষ হয়ে গেছে।
সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং চট্ট- ৭০৭) সভাপতি মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ‘তাদের হিসেব অনুযায়ী ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ পর্যন্ত ৪ হাজার ৭০০ অটোরিকশা নিবন্ধিত হয়েছিল। এসব অটোরিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল চলে গেছে। বিআরটিএ এসব অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করে প্রতিস্থাপন করার উদ্যোগ নিলে তাদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।’
সিলেট মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটির সভাপতি ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ বলেন, ‘বিআরটিএ যেহেতু এসব থ্রি হুইলারের নিবন্ধন দিয়েছে, সে কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করার বিষয়টিও তারা দেখবে। তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেবে। তবে আমি চাই দ্রুত নীতিমালা হোক, যাতে দ্রুত এসব অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করা যায়।’
বিআরটিএ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ কায়ছার বলেন, ‘অর্থনৈতিক মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশার বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে সভা করে মন্ত্রণালয়ে আবারও প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নীতিমালা করে দিলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’
ফিচার বিজ্ঞাপন
Thimpu-Paro 4D/3N
Kandy- Nuwara Eliya- Galle & Colombo 6D/5N
USA Visa (Private Job Holder)
মূলত একটি থ্রি হুইলার অটোরিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ১৫ বছর ধরা হয়ে থাকে, তবে এই বছরকাল বাহনের নিবন্ধনের তারিখ থেকে নয়, বরং গণণা করা হয় বাহনের উৎপাদনের তারিখ থেকে— এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিএনজি অটোরিকশার গ্যাসের সিলিন্ডারের মেয়াদ ১৫ বছর শেষ হলে তা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকে। তাই দ্রুত এসব যান রাস্তা থেকে তুলে নেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।
Source: Risingbd
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৫৮ বার পড়া হয়েছে





