করোনা বিস্তার প্রতিরোধে সুন্দরবনের সব ধরনের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে এ আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুন্দরবনসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সব পর্যটনকেন্দ্র পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২০২০ সালের মে মাস থেকে সুন্দরবনসহ সাতক্ষীরা জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ করা হয়। যেমন- শ্যামনগরের আকাশ নীলা, গোপালপুর পার্ক সুন্দরবনের কলাগাছিয়া পর্যটকদের প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে যায়।
এক পর্যায় করোনার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলে ১ নভেম্বর থেকে আবারও পর্যটকদের জন্য প্রবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু করোনার প্রভার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় আবারও ২ এপ্রিল শুক্রবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল বুড়িগোয়ালিনী পর্যটকদের বহনকারী ট্রলার মালিক সমিতির প্রায় পাঁচ শতাধিক ট্রলার রয়েছে। সব সদস্যরা পড়েছে বিপদে। পর্যটকদের ট্রলার যোগে সুন্দরবনে আনা-নেওয়া করে তারা জীবন নির্বাহ করেন। সুন্দরবনে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের পরিবার নিয়ে মানবতায় জীবন যাপন করতে হবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, বৃহস্পতিবার এক চিঠিতে শুক্রবার থেকে সব পর্যটককেন্দ্র পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি বিস্তার প্রতিরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
মালয়শিয়া-সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ড ৭দিন ৬ রাত
Maldives (Centara Ras Fushi Resort & Spa) 3D/2N
ব্যাংকক-পাতাইয়া-কোরাল আইল্যান্ড-সাফারি ওয়ার্ল্ড ৫দিন ৪ রাত
Source: Ittefaq
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
Online Shopping BD (Facebook Live)৪০৩ বার পড়া হয়েছে




