বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৪৮ মেগাপিক্সেল কোয়াড ক্যামেরার ইনফিনিক্স নোট ৭। রিফেকটিভ গ্লাসের মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের নতুন মডেলের এই হ্যান্ডসেটের ফরেস্ট গ্রিন, এথের ব্ল্যাক এবং বলিভিয়া ব্লু তিন রঙ। ৪জিবি+১২৮জিবির ইনফিনিক্স নোট ৭ সিরিজের স্মার্টফোনটির দাম ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা।

এ ছাড়াও স্মার্টফোনটিতে থাকা বিশাল ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি দীর্ঘ সময়জুড়ে ডিভাইসটি ব্যবহারকারীদের সঙ্গ দিতে পারবে। গ্রাহকদের দ্রুতগতির জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এতে ১৮ডব্লিউ সুপার-ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে।

যারা স্মার্টফোনে ছবি তুলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য কম আলোতে চমৎকার এবং প্রাণবন্ত ছবি তোলার নতুন ডিভাইস ইনফিনিক্স নোট ৭। ৪৮এমপি কোয়াড ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের বিশেষত কম আলোতে ও বিচিত্র ধরণের লাইটিং কন্ডিশনে আল্ট্রা-হাই-রেজিলিউশনের ছবি তোলার সুবিধা দিবে।

সূর্যাস্ত, ব্যাকলাইট স্ট্রিট ভিউ, সেলফি বা রাতের বেলায় ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিগুলো ধরে রাখতে ক্রিস্টেল ক্লিয়ার ও প্রাণবন্ত সৌন্দর্য ছবি তুলতে পারবেন ফোনটির ক্যামেরায় চমৎকার।

তরুণ প্রজন্মের পছন্দের প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্সের বহুল প্রতীক্ষিত নোট ৭ সিরিজ অনলাইনে ছাড়ার পরই বিক্রিই রেকর্ড গড়ে। অফলাইনেও চাহিদার শীর্ষে রয়েছে চলতি সপ্তাহে নতুন এই স্মার্টফোনটি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

US Visa (Spouse)

মূল্য: 5,000 Taka

Maldives (Hulhumale & Fun Island) 3D/2N

মূল্য: ২৮,৯০০ টাকা

বেইজিং ও কুনমিং ৭ দিন ৬ রাত

মূল্য: ৮৪,৯০০ টাকা

কম আলোতে চমৎকার সব ছবি তোলার জন্য ৪৮ মেগাপিক্সেল কোয়াড ক্যামেরার ইনফিনিক্স নোট ৭ এ রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি ৭০ চিপসেট এবং ৬.৯৫ ইঞ্চি এইচডি+ইনফিনিটি-ও ডিসপ্লে।

যারা কাজের সময় দক্ষ এবং গেমিংয়ের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা পেতে চান তাদের জন্যই ফোনটি। এর হাই-ডেফিনেশন ইনফিনিটি-ও ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী সিপিইউ পারফরম্যান্স ব্যবহারকারীদের ভিডিও কলিং, গেমস খেলা, পছন্দের ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত ভিউইং অভিজ্ঞতা দিবে। সেসঙ্গে মাল্টিটাস্কিংয়ে এনে দিবে স্বাচ্ছন্দ্যতা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩১২ বার পড়া হয়েছে