লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের পৌর বাজার এলাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদের নাম তিতা খাঁ মসজিদ (Tita Khan Jame Mosque)। প্রায় ৩০০ বছর আগে হযরত আজিম শাহ (রঃ) বাগানের মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এই মসজিদটি আবিষ্কার করেন। দৃষ্টিনন্দন ও শৈল্পিক কারুকার্যময় তিতা খাঁ মসজিদ নির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই খ্যাতি অনুযায়ী হিন্দু-মুসলমান সকলে মুক্ত হস্তে এই মসজিদে দান করে থাকেন।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়কপথে লক্ষ্মীপুর জেলায় যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, রয়েল কোচ, হিমাচল এক্সপ্রেস, ইকোনো, মিয়ামি, আল বারাকা, জোনাকি সার্ভিস
ও ঢাকা এক্সপ্রেসের বাস ঢাকা-লক্ষ্মীপুর রুটে চলাচল করে। লক্ষ্মীপুর বাস স্ট্যান্ড
পৌঁছে সিএনজি, রিকশা কিংবা পায়ে হেটে তিতা খাঁ মসজিদ যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

লক্ষ্মীপুরের অবস্থিত আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউসের মধ্যে এনআর গেস্ট হাউজ, স্টার গেস্ট হাউজ, সেন্টমার্টিন আবাসিক, হোটেল ইউনিক, হোটেল নূর, সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আব-ই-হায়াত ও স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম।

ফিচার বিজ্ঞাপন

মায়ানমার ভিসা (ভিজিট ভিসা)

মূল্য: ৫,০০০ টাকা

Vietnam & Cambodia 7D/6N

মূল্য: 65,900 Taka

কোথায় খাবেন

লক্ষ্মীপুর শহরের
মেইন রোডের কাছে বিভিন্ন মানের রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড শপ রয়েছে। মানসম্মত বাঙ্গালী
খাবারের জন্য তৃপ্তি হোটেল, হোটেল রাজ মহল, নিউ লক্ষ্মী, গ্র্যান্ড হোটেল, কুটুম বাড়ি,
আব্বাস আলী রেস্টুরেন্ট, মোহাম্মদীয়া হোটেল বা ফুড গার্ডেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪০১ বার পড়া হয়েছে