আমাদের দেশের হাইওয়েগুলোর যে অবস্থা তাতে অনেক ক্ষেত্রে ১৫০ সিসি বা ১৬০ সিসির বাইক নিয়ে হাইওয়ে রাইড দিলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু এর মানে এই না যে আপনার বাইক যদি অল্প সিসির হয় তাহলে আপনি সেই বাইক নিয়ে হাইওয়ে রাইডে যেতে পারবেন না। তবে কম সিসির বাইক নিয়ে হাইওয়েতে গেলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আজ আমরা সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।

১- নিজের স্কিল সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝে নেয়াঃ

যেহেতু আপনার বাইকের সিসি কিছুটা কম সেক্ষেত্রে আপনি কয়েকটি জিনিস আপনার বাইক থেকে কিছুটা কম পাবেন। আপনি যখন একটা কম সিসির বাইক নিয়ে হাইওয়েতে রাইডে যাবেন তখন আপনার বাইকের নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটা অনেকটা আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে। হাইওয়েতে রাইডের আগে নিজের দক্ষতাকে ভালোভাবে বুঝে নিন।

আপনি ইমারজেন্সি সময়ে বাইক কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, ওভারটেক করার সময় কিভাবে নিরাপদে ওভারটেক করতে পারবেন এই বিষয়গুলো আগে বুঝে নিন। হুট করেই বাইক নিয়ে হাইওয়েতে চলে যাবেন না, আপনার যদি নিজের উপর পুরা আস্থা থাকে তাহলে আপনি যে কোন বাইক নিয়েই যেতে পারবেন হাইওয়ে রাইডে।

২- নিয়ন্ত্রিত গতিতে বাইক রাইড করাঃ

অতিরিক্ত গতি সব সময় ভালো ফল নিয়ে আসে না, আর আমাদের দেশের সব দিক বিবেচনা করলে আমাদের দেশের রাস্তা এবং পরিবেশ গতির জন্য না। আপনি যখনই বাইক চালাবেন সবার আগে আপনার বাইকের গতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন। বাইক সব সময় এমন একটা গতিতে রাইড করুন যাতে যে কোন সময় আপনি আপনার বাইকের গতি শূন্যে নিয়ে আসতে পারেন।

আপনি যদি নিয়ন্ত্রিত গতিতে বাইক রাইড করেন তাহলে আপনি যেই বাইক নিয়েই লং ট্যুরে যান আপনি নিরাপদে আপনার গন্তব্যে যেতে পারবেন।রাস্তার মধ্যে তাড়াহুড়ো করা থেকে বিরত থাকুন। কেউ আপনার সাথে এই কাজ করলে তাকে আগে যেতে দিন।

৩- বাইকের ব্রেক এবং টায়ার গ্রিপ আগে থেকে চেক করে নেয়াঃ

হাইওয়েতে নিরাপদে চলতে এই বিষয়টি খেয়াল রাখা খুব বেশি জরুরী। আপনি যখন কোন ছোট বাইক নিয়ে অনেক দূরের পথে যাত্রা শুরু করবেন তার আগে অবশ্যই আপনার বাইকের টায়ারের গ্রিপ এবং বাইকের ব্রেকিং সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা নিয়ে নিন।

যেসব বাইকের সিসি কম থাকে সেই বাইকগুলোর চাকা কিছুটা চিকন থাকে, আর চিকন চাকা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করতে কিছুটা কষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এর মানে এই না চিকন চাকার বাইকের নিয়ন্ত্রণ ভালো হয় না। এই ব্যাপারটি আপনাকে রাইডে বের হওয়ার আগে বুঝে নিতে হবে। এমন অনেক বাইক আছে যেগুলো অল্প সিসির হওয়ার পরও ভালো কন্ট্রোল পাওয়া যায়।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Kandy, Nuwara Eliya & Colombo 5D/4N

মূল্য: 30,900 Taka

Singapore Tour with Universal Studio 4D/3N

মূল্য: ২৬,৯০০ টাকা

৪- সময় নিয়ে ওভারটেক করাঃ

কম সিসির বাইকে রেডিপিকাপ কম থাকা নরমাল ব্যাপার। তাই আপনি যখন কম সিসির বাইক নিয়ে হাইওয়েতে যাবেন তখন সময় নিয়ে ওভারটেক করুন। ঝুকিপূর্ণ ওভারটেক করা থেকে বিরত থাকুন, সামনে কোন পরিবহণ থাকলে সেটার দূরত্ব এবং আপনার বাইকের গতি হিসাব করে তারপর ওভারটেক করার প্রস্তুতি নিন।

৫- রাস্তার অবস্থা বুঝে ইমারজেন্সি ব্রেক করাঃ

চিকন চাকার বাইকের গ্রিপ যদি খুব বেশি ভালো না হয় তাহলে আপনি বাইক ব্রেক করার সময় চাকা স্লিপ করতে পারে। তাই আপনি যখন কোন অল্প সিসির বাইক নিয়ে লং রাইডে যাবেন সবার আগে বাইকের চাকার গ্রিপ এবং আপনার বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝে নিন।

যদি আপনি ইঞ্জিন ব্রেকে অভ্যস্থ হয়ে থাকেন তাহলে ইঞ্জিন ব্রেক করুন, কারন ইঞ্জিন ব্রেক খুব অল্প সময়ে আপনার বাইক নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

৬- চাকায় সঠিক প্রেসার রাখাঃ

আমরা অনেকেই বাইকে হাওয়া দেয়ার ব্যাপারে উদাসীন, লং রাইড হউক অথবা সর্ট রাইড সব সময় বাইকের চাকায় সঠিক প্রেসার রাখুন। আপনার বাইকের চাকায় যদি হাওয়া অতিরিক্ত থাকে তাহলে আপনার বাইক হার্ড ব্রেক করলে স্লিপ করার সম্ভাবনা থাকে। আবার আপনার বাইকের হাওয়া যদি কম থাকে তাহলে আপনার বাইকের ইঞ্জিনের উপর অতিরিক্ত চাপ পরবে। বাইক বেশি সিসির হউক অথবা কম সিসির বাইকে সব সময় সঠিক টায়ার প্রেসার রাখুন।

Source: Bikebd

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৩৪ বার পড়া হয়েছে