সাতরাস্তা থেকে আবদুল্লাহপুর সড়কে ইউটার্ন চালু হলেও যানজট কমেনি। বরং আগের চেয়ে বেড়েছে। এ অভিযোগ চালকসহ খোদ ট্রাফিক পুলিশের। তারা জানান, ইউটার্ন চালুর কারণে এ সড়কটি সরু হয়ে গেছে। এ কারণেই বেড়েছে যানজট। বুধবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, গুলশান, বাড্ডা, মগবাজার, মতিঝিল, প্রগতি সরণি এলাকায় তীব্র যানজট ছিল। তবে সব এলাকার যানজট ছাপিয়ে যায় সাতরাস্তা থেকে আবদুল্লাহপুর সড়কের যানজট।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) কয়েকজন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, ইউটার্নে শুধু গাড়ি চলাচল করতে পারে। সরকারের বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করে শুধু একটি শ্রেণির মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করা যৌক্তিক হতে পারে না। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব শ্রেণির মানুষের কথা বিবেচনায় রাখতে হয়।

এছাড়া সড়কে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক জায়গা থাকতে হয়। যেটা এ সড়কে নেই। সে কারণে এ ধরনের প্রকল্পটি এ সড়কে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়াটা যৌক্তিক ছিল না। এখানে বড় ভাবনার বিষয় হচ্ছে- এ ইউটার্নের পাশে জায়গা কম থাকায় ছোট করে তৈরি করতে হয়েছে। যার ফলে ওইসব ইউটার্ন দিয়ে বাস বা বড় পরিবহন চলাচল করতে পারছে না। শুধু মাইক্রোবাস বা ছোট আকৃতির গাড়িগুলো চলাচল করতে পারছে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

US Visa for Retired Person

মূল্য: 5,000 Taka

Hanoi, Halong, Halong Bay Cruise 5D/4N

মূল্য: 32,900 Taka

তাদের মতে, এ ধরনের প্রকল্প সাধারণ মহাসড়কে বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। কেননা, সেখানে শুধু গাড়ি চলাচল করে। ওইসব সড়কে রিকশা, হেঁটে চলাচল বা এ ধরনের চলাচল কম হয়ে থাকে। সে কারণে মহাসড়কে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন ফলপ্রসূ। আর জায়গা সংকট এবং মিশ্র ব্যবহারের কারণে ঘনবসিতপূর্ণ শহরে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সুফল মিলে না।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৩৬ বার পড়া হয়েছে