ইউনিসেফের করোনা মহামারী মোকাবিলায় ভ্যাকসিন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধপত্র, মেডিক্যাল যন্ত্রপাতিসহ জরুরী সামগ্রী সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়ে পরিবহন করবে এমিরেটসের কার্গো পরিবহণ বিভাগ এমিরেটস স্কাইকার্গো। মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ইউনিসেফের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদনের ঘোষণা দিয়েছে এমিরেটস স্কাইকার্গো।

এমিরেটস জানিয়েছে, ইউনিসেফের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘হিউম্যানিটারিয়ান এয়ার ফ্রেইট ইনিশিয়েটিভ’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এমিরেটস স্কাইকার্গোসহ বেশ কয়েকটি সংস্থা, যারা সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ১০০টির অধিক মার্কেটে অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী পরিবহণ করতে সক্ষম। ইউনিসেফের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কোভ্যাক্স কর্মসূচীতে সহায়তা প্রদান করে। কোভ্যাক্স একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ যার লক্ষ্য হলো সকল দেশের জন্য করোনা ভ্যাক্সিনের ন্যায়সঙ্গত প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালানো।

এয়ার কার্গো সেক্টরে ভ্যাক্সিনসহ বিভিন্ন তাপসংবেদনশীল ঔষধপত্র পরিবহন করে এমিরেটস স্কাইকার্গো। সংস্থাটির ৬টি মহাদেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, সুপরিসর আধুনিক উড়োজাহাজের বহর, দুবাই হাবে ভ্যাক্সিন ও ঔষধপত্র সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ ও পরিবহনের জন্য ইইউ জিডিপি সনদপ্রাপ্ত স্টেট-অফ-দা-আর্ট অবকাঠামো।

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে এমিরেটস স্কাইকার্গো কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন সংরক্ষণ ও পরিবহনের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম ইইউ জিডিপি সনদপ্রাপ্ত এয়ার সাইড ডিস্ট্রিবিউশন হাব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা প্রদান করে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দ্রুততম সময়ে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন পৌছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে এমিরেটস স্কাইকার্গো চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে একটি কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন এলায়েন্স প্রতিষ্ঠা করে। এলায়েন্সের অপরাপর সদস্যরা হলো- ডিপি ওয়ার্ল্ড, দুবাই এয়ারপোর্টস এবং ইন্টারন্যাশনাল হিম্যানিটারিয়ান সিটি। এমিরেটস স্কাইকার্গো বর্তমানে কার্গো ও যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের সাহায্যে বাংলাদেশে নিয়মিত কার্গো পরিবহণ সেবা প্রদান করছে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Moscow, Novosibirsk & Irkutsk 7D/6N

মূল্য: 147,000 Taka

চায়না ভিসা (চাকুরীজীবী)

মূল্য: ১০,০০০ টাকা

কুনমিং ৪ দিন ৩ রাত

মূল্য: ৪২,৯০০ টাকা

Source: Ittefaq

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩২১ বার পড়া হয়েছে