প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আঁধার তেঁতুলিয়া ডাক বাংলো। এর পাশ দিয়ে বয়ে চলা মহানন্দা নদীর দৃশ্য দেখে মুহূর্তেই কল্পনার রাজ্যে ভাসবেন আপনি! মাঝে মাঝে এ ডাক বাংলো থেকে স্পষ্ট দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়। সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব দৃশ্য সৃষ্টি হয় স্থানটিতে। পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরে আছে একটি ঐতিহাসিক ডাক বাংলো। এর নির্মাণ কৌশল অনেকটা ভিক্টোরিয়ান ধাঁচের। জানা যায়, কুচবিহারের রাজা এটি নির্মাণ করেছিলেন। ডাক-বাংলোটি জেলা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত।

এ বাংলোর পাশেই আছে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত একটি পিকনিক স্পট। ডাক বাংলো ও পিকনিক স্পট দু’টি স্থানই পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় স্থানটি পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। সৌন্দর্য বর্ধনে এ স্থান দুটির সম্পর্ক যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। মহানন্দা নদীর তীর ঘেঁষা ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন (অর্থাৎ নদী পার হলেই ভারত) সুউচ্চ গড়ের উপর সাধারণ ভূমি হতে প্রায় ১৫ হতে ২০ মিটার উঁচুতে ডাক-বাংলোটি অবস্থিত। সেখান থেকেই হেমন্ত ও শীতকালে কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

অন্যদিকে বর্ষাকালে মহানন্দা নদীতে পানি থাকলে এর দৃশ্য আরও বেশি মনোরম হয়। শীতকালে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য অনেক দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার ভালো সময় সাধারণত সূর্যোদয়ের পর থেকে সকাল ১১-১২টা পর্যন্ত। আলো বাড়তেই এর রূপ বদলাতে থাকে। যদিও খুব কাছের ভিউ পেতে হলে আপনাকে বাইনোকুলার নিয়ে যেতে হবে।

যেভাবে যাবেন তেঁতুলিয়া ডাক বাংলোতে-

পঞ্চগড় যেতে আপনি হানিফ কিংবা নাবিল পরিবহনে যেতে পারেন। ভাড়া পড়বে ৬০০-১০০০ টাকার মধ্যে। বাসগুলোতে যেতে পারেন। এখানকার বিভিন্ন স্থানে বেড়ানোর জন্য পঞ্চগড় শহর থেকে গাড়ি বা মাইক্রোবাস ভাড়া করে যাওয়া ভালো।

সারা দিনের জন্য এসব জায়গা ঘুরতে রিজার্ভ কারের ভাড়া পড়বে ২৫০০-৩০০০ টাকা আর মাইক্রোবাসের ভাড়া পড়বে ২৫০০-৩৫০০ টাকা। পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন এবং শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে এসব ভাড়ার গাড়ি পাওয়া যাবে।

পঞ্চগড় বাস টার্মিনালের পাশে ধাক্কামারা মোড় থেকে তেতুলিয়ার বাস ছাড়ে সারাদিন, ভাড়া পড়বে ৪০-৫০ টাকা। তেঁতুলিয়া থেকে অটো ভ্যান ভাড়া নিয়ে চলে যাবেন ডাকবাংলো।

ফিচার বিজ্ঞাপন

কুনমিং ৪ দিন ৩ রাত

মূল্য: ৪২,৯০০ টাকা

Cairo, Alexandria & Sharm El Sheikh 6D/5N

মূল্য: 57,900 Taka

তেঁতুলিয়ায় কোথায় থাকবেন?

তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদী তীরের ডাকবাংলোতে থাকার জন্য তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। দুই বেডের প্রতি কক্ষের ভাড়া পড়বে ৫০০ টাকার মধ্যে। ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার। বন বিভাগের রেস্টহাউসে থাকার জন্য জেলা সদর অথবা তেঁতুলিয়ায় বন বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরেও জেলা পরিষদের ডাকবাংলো আছে, এখানে থাকার অনুমতি নিতে হবে পঞ্চগড় থেকে। এখানে প্রতি কক্ষের ভাড়া ৫০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়াও তেঁতুলিয়াতে থাকার জন্যে ডিসি বাংলো আছে।

কাজী ব্রাদার্স আবাসিক হোটেলসহ পঞ্চগড়ে থাকার জন্য মধ্যম মানের বেশ কিছু হোটেল আছে। এরকম কয়েকটি হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া রোডে হোটেল মৌচাক, সিনেমা হল রোডে সেন্ট্রাল গেস্ট হাউজ, তেঁতুলিয়ায় চৌরাস্তা হতে বায়ে সীমান্তপাড় হোটেল। এক হাজার টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন এসি কক্ষ।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৩৯২ বার পড়া হয়েছে