বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে উঠে হালকা ‘স্ট্রেচিং’ বা দেহ টান টান করলে শরীরের ‘ম্যাজম্যাজ’ ভাব কাটাতে সাহায্য করে।

শরীরচর্চাবিষয়ক এক ওয়েবসাইট জানিয়েছে এমন চারটি স্ট্রেচিং পদ্ধতি।

যোগ ব্যায়ামের পদ্মাসন ভঙ্গিতে বসে দুই হাত সামনের দিকে যতটা সম্ভব বাড়িয়ে দিতে হবে। এ সময় দুই হাতের আঙুলগুলো ভাজে বসিয়ে নিতে হবে। হাতের তালু থাকবে সামনের দিকে। এরপর দুই হাত আস্তে মাথার উপর উঠাতে হবে। পরে কোমর থেকে ডানে ও বামে যতটা সম্ভব কাত হতে হবে।

এ পদ্ধতিতে শরীরের উপরাংশ, কাধ, বাহু ও কোমরের স্ট্রেচিং হয়।

পিঠের ভরে শুয়ে পা উপরে ওঠাতে হবে। পরে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে পেটের উপর এনে বিপরীত পাশের হাত দিয়ে চাপ দিতে হবে। এবার হাঁটুকে মেঝের দিকে টানতে হবে এবং কোমরের থেকে পিঠ বাঁকাতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে দুই কাঁধ যেন অবশ্যই মেঝেতে লেগে থাকে। একইভাবে দুই পায়ের মাধ্যমে ডানে-বামে ব্যায়ামটি করতে হবে।

এই ব্যায়ামের মাধ্যমে পিঠ, মেরুদণ্ড ও নিতম্বের পেশি স্ট্র্রেচিং হয়।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Singapore Tour with Universal Studios & Sentosa 5D/4N

মূল্য: ৩৮,৯০০ টাকা

Domain Registration

মূল্য: ১,৫০০ টাকা

ইস্তানবুল ৪দিন ৩ রাত

মূল্য: ২৯,৯০০ টাকা

দুই পা ভাঁজ করে বসে পেছনে দুই হাতের তালু মাটিতে রেখে হাতের উপর শরীরের ওজন দিন। এবার ধীরে মাথা পেছনের দিকে এলিয়ে দিন এবং হাতে ভর দিয়ে কোমর থেকে পুরো শরীর উপরে ওঠাতে হবে। কিছুক্ষণ ধরে রেথে আগের অবস্থায় ফিরে যান। এভাবে কয়েকবার ব্যায়ামটি করতে হবে।

নিতম্ব, পেট ও বুকের পেশি টানটান হয় এই ব্যায়ামে।

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে জোরে শ্বাস টানার সঙ্গে দুই হাত মাথার উপরে টানটান করতে হবে। পাশাপাশি পায়ের গোড়ালি উপরে তুলে পায়ের পাতার ভরে দাঁড়াতে হবে। এতে পুরো শরীর টানটান হবে। এবার শ্বাস ছেড়ে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে হবে। এবার কোমর থেকে শরীর বাঁকিয়ে হাত দিয়ে পায়ের আঙুল ধরার চেষ্টা করতে হবে। তবে হাঁটু ভাঁজ করা যাবে না। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে ঘাড়, পুরো পিঠ, হাটুর পেছনের অংশ, ঘাড়, হাত সবকিছুই টানটান হবে।

ছবি: রয়টার্স।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,২৮৬ বার পড়া হয়েছে