বিটা ক্যারোটিন হলো একধরনের রঞ্জক পদার্থ, যা শাকসবজিতে উপস্থিত থেকে লাল, হলুদ ও কমলা রং দেয়। এটি একধরনের প্রোভিটামিন এ ক্যারোটিনয়েড, অর্থাৎ আমাদের দেহ একে রেটিনলে (ভিটামিন এ) রূপান্তরিত করতে পারে। ১৮৩১ সালে হেনরিখ ফার্নিদান্দ ওয়াকেনরোডার নামের এক বিজ্ঞানী গাজরের মূল থেকে এই বিটা ক্যারোটিন আবিষ্কার করেন এবং গাজরের ইংরেজি নাম ক্যারটের সঙ্গে মিল রেখে এর নামকরণ করেন।
কেন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন
বিটা ক্যারোটিনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের দেহকে রোগমুক্ত রাখতে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আসুন জেনে নেই বিটা ক্যারোটিন কীভাবে রোগবালাই দমন করে আমাদের দেহকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।বিজ্ঞাপন
স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে
বিটা ক্যারোটিন উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত গ্রহণ করলে স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমে। এতে আলঝেইমার, হৃদ্রোগ এবং ক্যানসারের মতো রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। শুধু তাই-ই নয়, নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তে শর্করার মাত্রাও।
ফুসফুস ভালো রাখে
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও হ্রাস পেতে থাকে। বিটা ক্যারোটিনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রেখে এর কার্যক্ষমতা ধরে রাখে।
ত্বক রাখে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল
বিটা ক্যারোটিনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহ থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করে ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচায়।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
নিয়মিত বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং চোখের বয়সজনিত ক্ষতিগ্রস্ততার ঝুঁকি কমে। এ জন্যই চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে রঙিন ফলমূল এবং শাকসবজি গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিজ্ঞাপন
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai City tour- Dhow cruise- Desert safari- Burj Khalifa 6D/5N
Manila & Cebu 5D/4N
Cairo-Alexandria-Aswan & Luxor 8D/7N
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু বিশেষ ধরনের ক্যানসার, যেমন: অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার, মেনোপজ-পূর্ববর্তী স্তন ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে বিটা ক্যারোটিনের মতো উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ উপাদান কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে শুধু বিটা ক্যারোটিন একা উপরিউক্ত কাজগুলো করতে পারবে না। আমরা প্রতিদিন যেসব ভিটামিন ও খনিজ খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করি, তার পাশাপাশি সম্পূরক হিসেবে বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে, বিকল্প হিসেবে নয়।
কোন খাবারে পাবেন বিটা ক্যারোটিন
আমাদের চারপাশেই বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ বহু ফলমূল এবং শাকসবজি রয়েছে এবং দামটাও হাতের নাগালেই। প্রায় সব রকমের রঙিন ফল ও শাকসবজিতে বিটা ক্যারোটিনের উপস্থিতি রয়েছে। আমাদের অতি পরিচিত গাজর হলো বিটা ক্যারোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস। এ ছাড়া সবজির মধ্যে ব্রকলি, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, শালগম, মটরশুঁটি, বাঁধাকপি, লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম, পার্সলেপাতা, লেটুসপাতা, স্কোয়াশ ইত্যাদিতে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। আমাদের দেশীয় ফলের মধ্যে আম, তরমুজ, পাকা বরই, বাঙ্গি, বেরিজাতীয় ফল ইত্যাদিও বিটা ক্যারোটিনের অংশ। এসব ফল ও শাকসবজি উচ্চ তাপে রান্না করার বদলে অল্প তাপে সামান্য রান্না করে অথবা সম্ভব হলে কাঁচা খেলে এর পুষ্টিমান বেশি পাওয়া যায়।
Source: prothomalo
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মাত্র ৩৭ লক্ষ টাকায়!১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মা...
২৯৪ বার পড়া হয়েছে





