কুষ্টিয়া: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সকল শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের (কোভিড-
১৯) ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শনিবার (৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুহা. আতাউর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে আতাউর রহমান বলেন, ইউজিসি চিঠিতে জানিয়েছে— সুরক্ষা এপে আমাদের
শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিধি
মোতাবেক সকল শিক্ষার্থীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সুরক্ষা এপে রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে। আবাসিক-অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থী এই লিংকে (https://surokkha.gov.bd/enroll) আবেদন করতে পারবে।

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সুরক্ষা এপের রেজিস্ট্রেশন ফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র
বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর
জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। শিক্ষার্থীরা জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব না। শতভাগ ভ্যাকসিন কার্যক্রম করতে হলে রেজিস্ট্রেশন ফর্মে

জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে
সকল শিক্ষার্থী সুফল পাবে। উল্লেখ্য, গত মার্চে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে গত ২ মার্চ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। তবে রেজিস্ট্রেশন অপেক্ষাকৃত অনেক কম সম্পন্ন হওয়ায় সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত চতুর্থবারের মতো সময় বৃদ্ধি করেছিল।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Canada Visa for Businessman

মূল্য: 10,000 Taka

Vietnam & Cambodia 7D/6N

মূল্য: 65,900 Taka

বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫ হাজার ৩৮৪ জন। যার মধ্যে করোনার ভ্যাকসিন
নিতে নিবন্ধন করেছে ছয় হাজার ৬০৭ জন শিক্ষার্থী। তাই ভ্যকসিন গ্রহণের জন্য
চতুর্থবারের মতো নিবন্ধন সময়সীমা বৃদ্ধি করলেও ৬০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী নিবন্ধন
করেননি।

Source: Ittefaq

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



২৮৫ বার পড়া হয়েছে