সরকার ঘোষিত লকডাউন উঠিয়ে নেয়ার আগেই মারমেইডে বিচ রিসোর্ট ও ইকো রিসোর্ট আগাম বুকিংয়ে দিচ্ছে ৪০ শতাংশ ছাড়। লকডাউনের এই সময়ে বুকিং করলে বছরের যেকোনো সময় মারমেইডে কাটাতে পারবেন পর্যটকরা।

দীর্ঘ লকডাউনে ঘরবন্দি থাকতে থাকতে আপনি বিরক্ত! অবসাদ ও ক্লান্তি আপনাকে ঘিরে রেখেছে। আপনি চাচ্ছেন সব বিধি-নিষেধ উঠিয়ে দিলে প্রকৃতির নির্মল কোলে ছুটে যাবেন। সেখানকার সতেজ বাতাসে প্রাণ খুলে শ্বাস নেবেন।
আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে মারমেইড বিচ ও ইকো রিসোর্ট।

করোনাকালীন এই সময়ে কক্সবাজার ভ্রমণে আগ্রহী পর্যটকদের জন্য বড় ধরনের ছাড় ঘোষণা করেছে মারমেইড ইকো ট্যুরিজম লিমিটেড।

এখন বুকিং করলে চলতি বছরের যেকোন সময় ৪০ শতাংশ ছাড়ে মারমেইড বিচ রির্সোট, মারমেইড ইকো রিসোর্টে সময় কাটাতেন পারবেন পর্যটকরা। অতিমারি করোনার কারণে পর্যটন অঞ্চলের রিসোর্ট ও হোটেলগুলো বন্ধ রয়েছে। সরকার পুনরায় খোলার অনুমতি দিলে তখন থেকে এই ছাড় উপভোগ করতে পারবেন ভ্রমণপ্রেমীরা।

নৈসর্গিক দৃশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে মারমেইড বিচ ও ইকো রিসোর্ট। পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে যেন প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা এক রিসোর্ট। রিসোর্টের ঘরগুলোর ছাদ-চালা বাঁশ ও ছন দিয়ে তৈরি। এগুলো বাইরে থেকে দেখতে কুটিরের মতো। ভেতরে রয়েছে আধুনিক সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Premium Villa

মূল্য: ১৩,৫০০ টাকা/রাত

জাকার্তা ও বালি ৭দিন ৬ রাত

মূল্য: ৩৩,০০০ টাকা

Kandy, Nuwara Eliya & Colombo 5D/4N

মূল্য: 30,900 Taka

করোনা পরবর্তী সময়ে পর্যটকদের স্বল্প খরচে মনের খোরাক মেটাতে নিয়মিত রুম ভাড়া থেকে ৪০ শতাংশের এই ছাড় ঘোষণা করেছে মারমেইড। করোনাকালীন সময়ে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকদের সেবা প্রদান করবে মারমেইড।

মারমেইড বিচ রিসোর্টের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘অতিথিদের সবসময় সেরা সেবা দিয়ে সবার পছন্দের প্রথমে থাকতে চায় মারমেইড। পর্যটকদের জন্য আমরা সব আয়োজন রেখেছি। করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রিসোর্টে পরিচালনা করা হবে। এজন্য লকডাউন উঠিয়ে নেওয়ার আগেই মারমেইডে ৪০ শতাংশ ছাড়ে প্রি-বুকিং নিচ্ছে। এখন বুকিং করে রাখলে বছরের যে কোন সময় তারা মারমেইডে গিয়ে সময় কাটাতে পারবেন ৪০ শতাংশ কম খরচে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩০৫ বার পড়া হয়েছে