করোনা মহামারির মধ্যে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ যাদের ইমিউনিটি কম, তাদের বেশি ক্ষতি করছে করোনাভাইরাস।

তাই এ সময়ে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়ে ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারক খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এ ছাড়া ইমিউনিটি ভালো থাকলে বিভিন্ন রোগ থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া যায়।

আর আপনার দৈনন্দিন জীবনে খুব সহজ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ ও খাদ্য বাছাই করেই বৃদ্ধি করতে পারেন ইমিউনিটি। এমনকি আপনার প্রতিদিনের নিয়মিত রুটিনে থাকা পানীয় বাছাই করেও সেটি কাজে লাগাতে পারেন আপনার ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারক হিসেবে।

১. হলুদ চা

নামেই বোঝা যাচ্ছে যে, এই চা কী দিয়ে বানানো হয়। হলুদ যাতে রয়েছে কারকিউমিন নামের এক যৌগ। আর এটি ইমিউন সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রিত করে এবং এর শক্তিশালী প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য ব্যথা কমাতেও অনেক ভালো কাজ করে। আর হলুদ চায়ের সঙ্গে লেবু ও মধু মিশিয়ে নিয়ে বাড়িয়ে ফেলতে পারেন স্বাদ।

২. মসলা চা

ফিচার বিজ্ঞাপন

Canada Visa for Businessman

মূল্য: 10,000 Taka

Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 6D/4N

মূল্য: ২৬,৯০০ টাকা

খুব সহজ কয়েকটা মসলা ব্যবহার করেই বানিয়ে ফেলতে পারেন ইমিউনিটি বুস্টার মসলা চা। এর জন্য আদা, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, এলাচি এবং তুলসি পাতা দিয়ে পানি ফুটিয়ে নিন। পরে সেই পানিতে চা পাতা মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন আপনার বুস্টার চা। এটির উপাদানগুলো মাইক্রোবিয়াল, প্রদাহবিরোধী এবং সংক্রমণ প্রতিরোধী।

৩. সবুজ স্মুথি
কিছু স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু উপাদান ব্লেন্ড করে বানিয়ে ফেলতে পারেন ইমিউনিটি বুস্টার স্মুথি। এর জন্য পালং শাক, কাঁচাআম বা আনারস, লেবুর রস, আদা এবং বাদামের দুধ বা দই মিশিয়ে ব্লেন্ড করে বানিয়ে ফেলতে পারেন একটি সুস্বাদু ও ইমিউনিটি বুস্টার স্মুথি।

৪. মধু-লেবুর পানি

ইমিউনিটি বৃদ্ধি, গলাব্যথা, কাশি সমস্যা দূর করতে ওবং শ্বাসযন্ত্রকে হাইড্রেড রাখতে অনেক উপকারী মধু লেবুর পানি। আর এটির সবচেয়ে বেশি উপকার পেতে পানিতে আদা, দারুচিনি, লবঙ্গ, এক চামচ পুদিনা রস এবং লেবুর রস মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। পরে এতে মধু মিশিয়ে গরম গরম পান করুন।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



২৭৪ বার পড়া হয়েছে