ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের সামনের একটি কৃষ্ণচূড়াগাছ কাটা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, গাছটি কাটা হয়েছে নিরাপত্তাজনিত কারণে।

কাটা গাছটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে থাকা কোমরহীন মানুষ পারেন খালি গাছ কাটতে, নিজেদের ধান্দাগুলো বাড়াতে৷ কিছু বলার নেই৷ কলাভবনের কৃষ্ণচূড়ার অভিশাপ লাগুক ওদের কপালে।’

কাজী রাকিব হোসেন নামের আইন বিভাগের একজন শিক্ষার্থী লেখেন, ‘কলাভবনের কৃষ্ণচূড়াগাছ হত্যার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জমায়েত করা হবে।’

পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ছাত্রী প্রিয়ন্তী কর্মকার লেখেন, ‘সুন্দরের প্রতি আক্রোশ মনে হয় সব সময়ই একটু বেশি। কার কী ক্ষতি করেছিল এই গাছ, কে জানে।’ মীর আরশাদুল হক নামের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীও গাছ কাটার কড়া সমালোচনা করেছেন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Siem Reap Cambodia 4D/3N

মূল্য: 26,900 Taka

Australia Visa (for Govt Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

Water Lodge

মূল্য: ১২,৫০০ টাকা / রাত

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্যাম্পাস এলাকার গাছপালা তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘আমরা পারতপক্ষে কোনো গাছ কাটি না। এ পর্যন্ত ৪০০টির বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি আমরা সংরক্ষণ করেছি। যে কৃষ্ণচূড়াগাছ কাটা হয়েছে, সেটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। মাটির সঙ্গে গাছের শিকড় ও কাণ্ড সোজা থাকতে হয়। শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হলে গাছ বাঁকা হতে শুরু করে। ওই কৃষ্ণচূড়াগাছ এত হেলে পড়েছিল, যেকোনো সময় উপড়ে পড়ে যেত। কলাভবনের আশপাশেই আরও দুটি ইউক্যালিপটাসগাছ কাটা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কেটে সেখানে নতুন গাছ লাগানো হবে।’

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



২৬৩ বার পড়া হয়েছে