কলিজা অনেকে পছন্দ করেন, অনেকের রয়েছে অনীহা। বিশেষ করে সুবাসজনিত কারণে শিশুরা কলিজার প্রতি আগ্রহ দেখায় না। অথচ কলিজাতে রয়েছে মাংসের চেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ।

কলিজার পুষ্টিগুণ, শিশুকে খাওয়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজধানীর ধানমণ্ডির পারসোনা হেলথের ডায়েটিশিয়ান অ্যান্ড ইনচার্জ শওকত আরা সাইদা লোপা।

তিনি বলেন, কলিজার ক্ষেত্রে বলা যায় এমন কোনো পুষ্টি উপাদান নেই, যা এটিতে পাওয়া যাবে না। কলিজা মাংসের থেকেও বেশি পুষ্টিগুণে ভরা।

তবে তিনি মনে করেন, যাদের কোলেস্টরেলের সমস্যা রয়েছে, তাদের কম করে কলিজা খেতে হবে। ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ও ভিটামিন এ- এর অন্যতম উৎস কলিজা। খাবারের সোর্স হিসেবেও কলিজা ভালো উৎস। চোখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য বেশি বেশি কলিজা খাওয়া উচিত। শিশুদের ব্রেইন ডেভলপমেন্টের জন্য এটি খুবই সহায়ক খাবার। এ ছাড়া শরীরের নার্ভ সিস্টেমকেও ডেভেলপ করে কলিজার পুষ্টি।

শওকত আরা সাইদা লোপা জানান, অনেক সময় গন্ধের কারণে শিশুরা কলিজা খেতে চায় না। এজন্য কলিজাকে কাবাব বানিয়ে কিংবা এর সাথে অন্যকিছু যুক্ত করে দিতে হবে। তাহলে শিশুরা মাংসের মতোই এটি খেতে পারবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

দুবাই ও মিশর ৭দিন ৬ রাত

মূল্য: ৩৯,৯০০ টাকা

Manila 5D/4N

মূল্য: 49,900 Taka

US Student Visa

মূল্য: 5,000 Taka

একইভাবে মগজও অনেক পুষ্টিকর। তবে কোলেস্টরেল রেড সিগন্যাল থাকলে তাদের মগজ কম খাওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, মাংসের সাথে সবজি যুক্ত করা গেলে ক্ষতিকর উপাদান অনেকাংশে কমে যায়। এক্ষেত্রে যারা কোলেস্টরেল সমস্যায় ভুগছেন, তারা মগজের সাথে পেঁয়াজ বা অন্য কিছু যুক্ত করে খেতে পারেন।

মগজে ফাইবার ও আয়রন থাকে। শিশুদের ওজন নিয়ে অনেক মা দুশ্চিন্তায় থাকেন। শিশুর ওজন বাড়ানোর জন্য তাকে বেশি বেশি মগজ খাওয়ানোর পরামর্শ দেন শওকত আরা সাইদা লোপা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



২৯৪ বার পড়া হয়েছে