ঘর হচ্ছে প্রশান্তির জায়গা। সারাদিন কর্মব্যস্ততার পর ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফিরলেও মনটা অনেক প্রশান্তিতে ভরে যায়। এজন্য প্রত্যেক মানুষ চায় তার ঘরটি হোক সুন্দর করে সাজানো গোছানো এবং ছিমছাম। গৃহের সাজসজ্জা সুন্দর হলে অনেক সময় মন খারাপ থাকলেও ভালো হয়ে যায় এবং অতিথির-ও ভালো লাগে। গৃহের সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় গৃহের সদস্যদের ব্যক্তিত্ব। অনেকেই স্বপ্ন দেখে থাকেন ছবির মতো করে সাজিয়ে তুলবে তাদের স্বপ্নের ভুবন।
ঝাড়বাতির আলোকছটা আপনার চেনা ঘরকে পালটে দেবে। তাকে আরও মোহময়ী করে তুলবে। বসার ঘরে একটা ঝাড়বাতি থাকলে ঘরের রূপই বদলে যায়। ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের মতো ঝাড়বাতির মধ্যে একটা রাজবাড়ির আভিজাত্য রয়েছে। এই ধরনের ঝাড়বাতি বড় হল ঘরে লাগালে সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়। নানা আকার ও আয়তন অনুযায়ী পেয়ে যাবেন। ঘরের আকার ও নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিনবেন।
আভিজাত্যের ছোঁয়ার পাশাপাশি যারা একটু এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালবাসেন, তারা হরিণ শিংয়ের আকারের ঝাড়বাতি ঘরের সজ্জার জন্য ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এতে বাড়ির মধ্যেই একটা বুনো আবহও পাওয়া যায়।
আর আছে মোমবাতির ঝাড়বাতি। এই ঝাড়বাতির ইতিহাস বেশ পুরনো। পুরোনো কালের কোনও সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখলেই এমন ঝাড়বাতি দেখতে পাবেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এতেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। কেউ আসল মোমবাতি ব্যবহার করেন, কেউ কেউ মোমবাতির মতো দেখতে লাইট লাগিয়ে দেন। সাধারণত ছোট বা নিচু ছাদে এই ধরনের ঝাড়বাতি খুব ভাল মানায়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
ফিলিপাইন ভিসা প্রসেসিং (বিজনেসম্যান)
Domain Registration
Australia Visa for Businessman
সব ধরনের ঘর ও ছাদের সঙ্গে মানিয়ে যায় কাচের ঝাড়বাতি। এটিও বেশ পুরনো ফ্যাশন। যেই ঘরেই রাখুন না কেন সেখানকার আলাদা একটা চরিত্র হয়ে ওঠে। গোটা ঘরে একটা নাটকীয়তা সৃষ্টি করে।
একই সঙ্গে বিলাসিতা আর উদাসীন মনের প্রবৃত্তি ফুটিয়ে তুলতে গেলে পেনডেন্টের মতো ঝুলন্ত ঝাড়বাতি ব্যবহার করুন। লিভিং রুমেই সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে এগুলি।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩১০ বার পড়া হয়েছে





