যাত্রীর লাগেজ কাটা, যাত্রী হয়রানি, টিকিট জালিয়াতিসহ বিমানের নিরাপত্তা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রথমবারের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে আসা এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আওতাধীন এলাকাসমূহে অভিযান পরিচালিত হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা থেকে গত রবিবার এক প্রজ্ঞাপনে উপসচিব (যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জিয়াউদ্দিন আহমেদকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জিয়াউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে বিমানের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্বরত। একই পদে থেকে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদেও দায়িত্ব পালন করবেন।

বিমান সূত্র জানায়, সারাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের বাংলাদেশ বিমান ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এর বাইরেও বিভিন্ন জায়গায় বিমানের নিজস্ব ভবন বা সম্পত্তি রয়েছে। মতিঝিল, বনানীতে বিমানের নিজস্ব টিকিট বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এসব কাউন্টারে পর্যাপ্ত টিকিট থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময় যাত্রীদের বলা হয় টিকিট শেষ। আবার ফ্লাইট অবতরণের পর যাত্রীদের লাগেজপ্রাপ্তিতে হয়রানিসহ ধীরগতির অভিযোগও রয়েছে। বিমানকে লাভজনক করতে প্রধামন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব অনিয়ম দূরীকরণে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

এ ছাড়া বিমান ও বিমানে চলাচলকারী যাত্রীদের নিরাপত্তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি বিমানের সম্পত্তি উদ্ধারে দখলদারদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদানসহ বেদখলি সম্পত্তি উদ্ধারের পথ সুগম হলো রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এই প্রতিষ্ঠানের।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa (for Govt Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

Kathmandu-Nagarkot 4D/3N

মূল্য: ১২,৯০০ টাকা

বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার বলেন, যাত্রী সুবিধাসহ বিমানের নিরাপত্তায় প্রথমবারের মতো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পেয়েছে। সম্পত্তি উদ্ধারসহ নানা ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৯৯৯ বার পড়া হয়েছে