হাতের আঙুলে চাপ দিলেই মট করে শব্দ হয়। আমরা বলি আঙুল ফোটানো। এমন শব্দ দেহের বিভিন্ন স্থানের হাড়ের সংযোগস্থলেই ঘটেই থাকে। এমনটা চাপ দিলেও হয়। এমনিতেও। অর্থাৎ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবেও শব্দ হয়। হঠাৎ নড়াচড়া এবং আড়মোড়া ভাঙতে গেলেও হয়ে থাকে। আসলে আমাদের হাড়ের সংযোগস্থল শব্দ সৃষ্টি করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ‘ক্রিপিটাস’। সব বয়সীদেরই হয়ে থাকে। তবে বয়স্কদের একটু বেশি হয়। প্রশ্ন হলো, এসব স্থানে কেন এমন শব্দ হয়? এর আসল কারণ কি জানেন আপনি?

হাড়ের সংযোগস্থলে কেন শব্দ হয়?
বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। সংযোগস্থলের চারদিকে ঘন তরল বিরাজ করে। সেখানে সৃষ্ট বুদবুদ ফাটার মুহূর্তে এমন হয়। আবার লিগামেন্ট বা টেন্ডনের আড়মোড়া ভাঙার সময়ও শব্দ উৎপন্ন হয়। গলাটাকে আচমকা ডানে বা বামে ঘোরালেও শব্দ হয়। একটা আঁটসাঁট পেশি বা টেন্ডন কোনো হাড়ময় কাঠানোর ওপর দিয়ে নড়াচড়ার সময় এমন শব্দ হতেই পারে। যেসব স্থানে এমন শব্দ হয়ে থাকে, তার আশপাশে আলতোভাবে ম্যাসাজ করলে শব্দ সৃষ্টি কমে আসবে।

আঘাতের কারণেও শব্দ সৃষ্টি হতে পারে। নির্দিষ্ট সংযোগস্থলে ব্যথা পেলে এবং লিগামেন্ট আগের মতো সুস্থ না হয়ে উঠলে সেখানে শব্দ হতে পারে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa (for Private Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 6D/4N

মূল্য: ২৬,৯০০ টাকা

এটা কি ক্ষতিকর?
যেহেতু এমন শব্দ সৃষ্টির সময় কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না, বরং আরাম লাগে, কাজেই চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। যদি এতে আপনি অস্বস্তি বোধ করেন তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া দরকার। অনেক সময়ই তা লিগামেন্টে আঘাত অথবা হাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার লক্ষণ প্রকাশ করে। কেবল তখনই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৯৪০ বার পড়া হয়েছে