গরম গরম চা সবারই প্রিয়। কেউ আবার ঠান্ডা হিম শীতল বরফ চা পান করেন। এই ধরনের বরফ মিশ্রিত চা খেয়ে আরকানসাসের এক ব্যক্তি তার কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলেছেন। অথচ তার পরিবারের অন্য কেউ কিডনিজনিত কোনো প্রকার রোগে কখনই আক্রান্ত হয়নি। চিকিৎসকরা বলছেন, ব্লাক টি’তে যে অক্সালেট উপাদান রয়েছে বরফ শীতল পানিতে চা মিশিয়ে তা অতিরিক্ত পানেই ওই ব্যক্তির কিডনিতে পাথর জমতে সাহায্য করেছে। অতিরিক্ত চা পান করতেন তিনি। দিনে অন্তত চার লিটার বরফ শীতল চা । আর তাতেই ক্ষতি যা হবার হয়ে গেছে তার কিডনির।
৫৬ বছরের ওই ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসকদের জানান, বরফ শীতল পানি, পুদিনা পাতা, স্ট্রবেরির টুকরো ও লেবু মিশিয়ে তিনি প্রচুর চা পান করতেন। কিন্তু এতে তার কিডনির এতই ক্ষতি হয়েছে যে বাকি জীবন তাকে ডায়ালাইসিস করে চলতে হবে যা ব্যয়সাধ্য বটে। তার মুত্র পরীক্ষার করে দেখা গেছে তাতে উচ্চমাত্রার ক্যালসিয়াম অক্সালেট রয়েছে যা অতিরিক্ত চা পানের ফলে শরীরে সৃষ্টি হয়েছে। দিনে অন্তত ৮ গ্লাস বরফ শীতল পানি মিশ্রিত চা পান করতেন তিনি। ইউনিভার্সিটি অব আরকানসাসেরর চিকিৎসকরা অনেক পরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেন এ ধরনের অতিরিক্ত চা পানেই তার কিডনির ক্ষতি হয়েছে। ব্লাক টি’তে যে অক্সালেট উপাদান রয়েছে তা ওই ব্যক্তির কিডনিতে জমা হয়ে শুধু পাথর সৃষ্টি করেনি বরং তার কিডনিকে ড্যামেজ করে দিয়েছে। নাম না জানা ওই ব্যক্তির স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরকানসাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আমবার গাফ্ফার একটি প্রবন্ধ লিখেছেন যা নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশ করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন সাধারণ মানুষ যে পরিমাণ চা পান করে থাকেন, তারচেয়ে অন্তত ৩ থেকে ১০ গুণ বেশি চা পান করতেন ওই ব্যক্তি। এক জরিপে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১১ কাপ চা কিংবা কফি খেয়ে থাকেন দুধ, চিনি বা পানি মিশিয়ে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বেভারেজ পান করে থাকেন তারা। ড. গাফ্ফার তার প্রতিবেদনে বলেন, ওই ব্যক্তির ডায়বেটিস ছিল। এরপরও চায়ে তিনি চিনি খেতেন।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Domain Registration
US Visa for Retired Person
সাজেক ভ্রমণ ৩ রাত ২ দিন
এর আগে গত ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত আরেক প্রবন্ধে দেখা যায় ৪৭ বছর বয়স্ক এক মহিলা অতিরিক্ত চা খেতেন বলে তার হাড়ে ব্যথা সৃষ্টি হয়। ওই মহিলা দিনে ১ থেকে দেড়’শ টি ব্যাগ ব্যবহার করে চা খেতেন। চিকিৎসকরা বলছেন, আমরা কাউকে চা পান করতে নিষেধ করি না তবে অতিরিক্ত যে কোনো কিছুই যে শরীরের জন্যে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং সে ব্যাপারে সাবধান হওয়া জরুরি।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
Online Shopping BD (Facebook Live)৯৬৭ বার পড়া হয়েছে





