আপনি কি আপনার কর্মস্থল থেকে পাওয়া বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট নন? আপনি কি বাড়তি কোন আয়ের উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন? কিছু বাড়তি আয়ের উৎস নিন্মে আলোচনা করা হলঃ
ফেসবুক
ফেসবুকের নাম শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন। ভাবছেন আমি বোধ হয় পাগল হয়ে গেছি। কিন্তু না ভাই। ঠিকই বলছি আমি। এখন ফেসবুক থেকেই বিপুল পরিমাণে টাকা আপনি ইনকাম করতে পারবেন অনায়াসে। এখন ফেসবুক শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবন্ধ নেই। এটা এখন আপনার বাড়তি আয়ের উৎসও হয়ে উঠতে পারে যদি আপনি চান। আপনার যদি কোন ফেসবুক পেজ থাকে আর সেই পেজ যদি হয় একটু জনপ্রিয়, তাহলেই আপনি এই পেজ এ ভিডিও আপলোড করে পেতে পারেন বিপুল পরিমাণ টাকা।
ইউটিউব
ভিডিও তৈরি করে বাড়তি আয়ের আরেকটি উপায় হল ইউটিউব। শুধু আপনার একটা ক্যামেরা থাকলেই হচ্ছে। আপনি আপনার মনের মত করে ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও শুট করে সেটা ইউটিউবে আপলোড দিলেই হবে। আর কোন কাজ করা লাগবে না। ওখান থেকেই টাকা আয় হতে থাকবে। তবে আপনার যদি ক্যামেরা না থাকে, তবে আপনি ভাল মানের একটা স্মার্ট মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়েও শুট করতে পারেন। আমাদের দেশে সবচেয়ে প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরকে আবশ্যই আমরা সবাই চিনি। সে যখন ইউটিউবিং শুরু করেছিল তখন সে একটা সাধারণ মোবাইল দিয়েই ভিডিও বানাতো। যে মোবাইলের ক্যামেরা ছিল মাত্র ৫ মেগাপিক্সেল।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai (City Tour) 4D/3N
Dubai (City tour- Abu Dhabi- Burj Khalifa) 6D/5N
জাপান ভিসা প্রসেসিং (বিজনেসম্যান)
ই-কমার্স
বাড়তি আয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ পথ হল ই-কমার্স। আপনি আপনার সকল পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারেন ঘরে বসেই। আর ঘরে বসেই আপনার পণ্য আপনি সারাদেশের মানুষের কাছে সেল করতে পারেন। এতে যেমন আপনার পণ্যের সেল বৃদ্ধি পাবে তেমন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনামও বাড়বে যদি আপনি ভাল সার্ভিস দিতে পারেন।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৯৪৬ বার পড়া হয়েছে





