যথাসময়ে আসতে পারছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চতুর্থ ড্রিমলাইনার রাজহংস (বিজি-৫০০৪)। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল রাজহংসের।

কিন্তু রাডারের গুরুতর কারিগরি সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই রাজহংসসহ বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্সের ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত মোট ১০টি এয়ারক্রাফটের রাডারের ত্রুটি সারাতে কাজ করছে বোয়িংয়ের প্রকৌশলীরা।

লন্ডনে অবস্থানরত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ অব লাইট সেফটি ও সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন শোয়েব চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ক্যাপ্টেন শোয়েব চৌধুরী বলেছেন, সমস্যাটি ধরা পড়াতে ভালোই হয়েছে। ঢাকায় গিয়ে এই সমস্যা ধরা পড়লে এয়ারক্রাফটটি কিছুদিনের জন্য বসিয়ে রাখতে হতো। যদিও এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা নয়। বোরিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী এয়ারক্রাফট ডেলিভারি দেয়ার সময় তারা খুঁটিনাটি খুব ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করেন। যে কারণে এই ত্রুটি ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে রাজহংস। ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করার কথা রয়েছে রাজহংসের।

ফিচার বিজ্ঞাপন

এদিকে, ড্রিমলাইনার রাজহংস দেশে আসার পর পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেটি উদ্বোধনের কথা ছিল।

এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল বলেন, উদ্বোধনের দিন তারিখ স্থগিত করা হয়েছে এবং পরে প্রধানমন্ত্রী যখন সময় দেবেন উদ্বোধনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। ইতোমধ্যে চারটি নতুন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দুটি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিমানবহরে যুক্ত হয়েছে। চতুর্থ ও শেষটি আসছে ১৪ সেপ্টম্বর।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৬৩১ বার পড়া হয়েছে