সম্ভাব্য পুঁজি: ২০০০০০ টাকা থেকে ৩০০০০০ টাকা পর্যন্ত

সম্ভাব্য লাভ: এক সিজনে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

প্রস্তুত প্রণালি:উঁচু জমিতে ঘর তৈরি করে মেঝেতে ৩ ইঞ্চি পুরু তুষ বিছিয়ে বিছানা তৈরি করতে হবে। এক দিনের বাচ্চা পালনের জন্য ঘরের এক কোনায় গার্ডার দিয়ে ঘের তৈরি করে বাচ্চার গা গরম রাখতে ব্র“ডারের ব্যবস্থা করতে হবে। বাচ্চা বড় হলে গার্ডার সম্প্রসারণও বড় করতে হবে। পাঁচ মাস বয়স হলে মুরগির খাবার ১২০ থেকে ১৩০ গ্রামের বেশি দেওয়া যাবে না। পাঁচ মাস বয়সী বাচ্চার জন্য সব সময় লাইটিং রাখতে হবে। নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে হবে। পাঁচ মাস পর থেকে মুরগি ডিম পাড়া শুরু করবে। একটানা ১২ মাস ডিম দেওয়ার পর মুরগি বিক্রি করে দিতে হবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa (for Private Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

ইস্তানবুল ৪দিন ৩ রাত

মূল্য: ২৯,৯০০ টাকা

বাজারজাতকরণ: ডিম ও মুরগি বিক্রি করার জন্য স্থানীয় বাজারে দোকান আছে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,০৭১ বার পড়া হয়েছে