বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। সংক্রমণ ঠেকাতে এই সময় জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া প্রায় সব অফিসই বন্ধ। অনেক অফিসের কর্মীদের বাসা থেকে অফিসের কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাসায় বসে অফিস করা বা হোম অফিসের ধারণাটি আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষের কাছে একেবারেই নতুন। কাজের অগ্রগতি বাড়াতে, একঘেয়েমি ভাব দূর করতে তাই বাড়িতে আনতে হবে নির্বিঘ্নভাবে কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ।
স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান হাইভের স্থপতি রাফিয়া মারিয়াম আহমেদও কাজ করছেন বাসায় বসে। বলছিলেন, হোম অফিসের জন্য প্রথমেই বাসার একটি উপযুক্ত স্থান বেছে নেওয়া জরুরি। তবে জায়গাটা যেন বাসার কমন স্পেসে না হয়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। কমন স্পেস বলতে সাধারণত বাসার বসার ঘর ও খাবার ঘরকে বোঝায়। যেহেতু সবাই এখন বাসায় থাকছে, তাই এই ঘরগুলোতে সবার আনাগোনা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। এতে কাজ করার সময় মনোযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই হোম অফিসের জন্য বাসার একটি নির্দিষ্ট কর্নার বেছে নিন। স্থানটি যেন অন্ধকারাচ্ছন্ন না হয়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। জায়গাটিতে পর্যাপ্ত আলো–বাতাস খেলা করার ব্যবস্থা রাখুন। যে জায়গায় কাজ করবেন, তার আশপাশের স্থানটুকুতে নান্দনিকতার ছোঁয়া আনতে কিছু ঘরের গাছ রাখতে পারেন। প্রিয় কিছু মুহূর্তের ছবি রাখতে পারেন, সঙ্গে থাকতে পারে কফি খাওয়ার আয়োজন।
এদিকে হোম অফিসের জন্য কিছু বিশেষ আসবাব এনেছে ইশো ফার্নিচার। বহুমুখী কাজে ব্যবহৃত এসব আসবাব হোম অফিসের কাজে যেমন সহায়তা দেবে, তেমনি ঘরের অন্যান্য কাজেও পাবেন ব্যবহারের সুবিধা, এমনটাই বলছিলেন ইশো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা স্থপতি রায়ানা হোসেন। যেমন খাবার পরিবেশনের জন্য কম উচ্চতার কিছু স্ট্যান্ডিং ট্রে পাওয়া যায়। এই ধরনের ট্রেকেও হোম অফিসের ল্যাপটপ রাখার টেবিল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের বাসায় কাজের জন্য আলাদা টেবিল নেই, তাঁরা বিছানা বা মেঝেতে বসেই অফিসের কাজ করার জন্য এমন টেবিল বেছে নিতে পারেন।
ফিচার বিজ্ঞাপন
শ্রীলংকা ভিসা (চাকুরীজীবী)
সিঙ্গাপুর ভিসা (চাকুরীজীবী)
Dubai (City tour- Dhow cruise- Desert safari) 4D/3N
এই বিষয়ে রাফিয়া মারিয়াম বলছিলেন, যদি ঘরের ভেতরে আলাদা কোনো আয়োজন করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কাজের জায়গা হিসেবে বারান্দা বেছে নিতে পারেন। বারান্দায় একটি কুশনে বসার আয়োজন করে সামনে একটি টুলে ল্যাপটপ রেখে করতে পারেন অফিসের কাজ। এই সময় বারান্দায় কিছু ইন্ডোর প্ল্যান্টস ঝুলিয়ে দিন, যাতে কাজের চাপে মনটা একটু বিরতি নেওয়ার অবকাশ পায়।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪৭৬ বার পড়া হয়েছে





