ভারতে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা বাড়াতে শুধু ভর্তুকি নয়, জিএসটির হার কমানোরও দাবি তুলল শিল্প। ছাড় চাইল  আয়কর, পথকর ইত্যাদিতেও। তাদের দাবি, দীর্ঘ মেয়াদে লাভ পেতে হলে, এই সব পদক্ষেপ জরুরি। 

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কয়লা তথা রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেছিলেন, ২০৩০-এর মধ্যে দেশে শুধু বৈদ্যুতিক গাড়ি চালাতে চায় কেন্দ্র। সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ীরও হুঁশিয়ারি ছিল, শিল্প মহল উদ্যোগী না-হলে, কেন্দ্র সেই সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করবে তাদের। কিন্তু সংস্থাগুলির প্রশ্ন, গাড়ির মতো শিল্পে যেখানে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে সময় লাগে, সেখানে এ ভাবে জোর করে সরকারি সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? এই শিল্পের সংগঠন সিয়াম সম্প্রতি ওই সময়সীমা ২০৪৭ সাল পর্যন্ত পিছোনোর প্রস্তাব দিয়েছে। বিষয়টিতে তাড়াহুড়ো করার পক্ষে নয় জার্মান বহুজাতিক মার্সিডিজ বেঞ্জ-ও।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৩৩৪ বার পড়া হয়েছে