ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদের হার ২০ শতাংশের বেশি নির্ধারণ করা যাবে না বলে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন প্রকার নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দিচ্ছে। যা ব্যাংক ঋণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে।  এ ধরনের ঋণের ওপর ফ্লাট রেটে অযৌক্তিকভাবে বেশি সুদ আদায় করছে। এতে গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, কিছু ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের অপরিশোধিত বকেয়া বিলের ওপর লেনদেনের তারিখ হতে সুদ আরোপ এবং পরিশোধিত বিলের বিপরীতে প্রগ্রেসিভ রেটে বিলম্ব ফি আদায় করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফার হার ২০ শতাংশের অধিক নির্ধারণ করা যাবে না।  এছাড়া ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সর্বশেষ তারিখ অব্যবহিত পরের দিন হতে ক্রেডিট কার্ডের অপরিশোধিত বিলের ওপর সুদ আরোপ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই লেনদেনের তারিখ হতে সুদ আরোপ করা যাবে না।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Kathmandu-Pokhara 5D/4N

মূল্য: ১৪,৯০০ টাকা

US Visa for Retired Person

মূল্য: 5,000 Taka

বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদ উত্তোলন যোগ্য ঋণ সুবিধা ব্যতীত অন্য কোনো নামে নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না। বিলম্বে পরিশোধিত কোনো বিলের বিপরীতে শুধুমাত্র একবার বিলম্ব ফি (অন্য যেকোনো নামে অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় করা যাবে।

Source: risingbd

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৩৩৪ বার পড়া হয়েছে