সম্ভাব্য পুঁজি:১০০০০০০ টাকা থেকে ১৫০০০০০ টাকা পর্যন্ত
সম্ভাব্য লাভ:মাসে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
সুবিধা:এ ধারণাটি একদম নতুন হওয়াতে এটি লাভজনক ব্যবসা। একবার মূলধন বিনিয়োগ করা পর বড় কোনো খরচ নেই।
প্রস্তুত প্রণালি:সাধারণত রুপালি আঁশযুক্ত মাছে আঁশ থেকে মুক্তার নির্যাস প্রস্তুত করা হয়। রিবন বা বেল্ট ফিশ হলে ভালো হয়। প্রথমে মাছের আঁশ থেকে ছুরির সাহায্যে রুপালি উজ্জ্বল নির্যাস সংগ্রহ করে পানিতে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে উজ্জ্বল গুয়নিন স্কটিক-সমৃদ্ধ নির্যাস সংগ্রহ করতে হয়। এপর তলানীতে পড়ে থাকা গাঢ় তরল পদার্থে অল্প পরিমাণ অ্যাসিটিক অ্যাসিড এবং ০.২৫ পেপসিন মিশিয়ে ৪৮ ঘণ্টা রেখে দেওয়া হয়। এরপর ডি-প্রোপিনাইজজ গুয়ানিন-সমৃদ্ধ স্কটিক পদার্থে বের করে এর দ্রবণে মিশ্রিত করতে হয়। গুয়ানিন-সমৃদ্ধ স্কটিক পদার্থ দ্বারা দু-তিনবার ধুয়ে চর্বি বের করে দিতে হবে। এরপর যান্ত্রিক পদ্ধতিতে মুক্তা তৈরি করে গলিত মোমের সাহায্যে সংরক্ষণ করতে হয়।
বাজারজাতকরণ:উন্নত মানের এসব মুক্তা বিভিন্ন জুয়েলারি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তা ছাড়া এর প্রচুর বৈদেশিক চাহিদাও রয়েছে।।
যোগ্যতা:বিশেষ কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই, তবে দক্ষ কেমিস্ট ও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Singapore Tour with Universal Studio 4D/3N

মূল্য: ২৬,৯০০ টাকা


৩৩৭ বার পড়া হয়েছে