প্রিডায়াবেটিস হচ্ছে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের পূর্বাবস্থা। প্রিডায়াবেটিস একজন মানুষকে এই সতর্ক সংকেত দেয় যে, তিনি টাইপ ২ ডায়াবেটিসের খুব কাছাকাছি আছেন। অধিকাংশ মানুষেই জানেন না যে তাদের প্রিডায়াবেটিস রয়েছে। কারণ সাধারণত এই অবস্থাতে উপসর্গ প্রকাশ পায় না। সাধারণত প্রিডায়াবেটিস যখন টাইপ ২ ডায়াবেটিসে রূপ নেয় তখন উপসর্গ প্রকাশ পেতে থাকে। প্রিডায়াবেটিসের একটি সম্ভাব্য লক্ষণ হলো শরীরের কিছু অংশে ত্বক কালো হয়ে যাওয়া, যেমন- ঘাড়, বগল, কনুই, হাঁটু ও আঙুলের জয়েন্ট।

এছাড়া টাইপ ২ ডায়াবেটিসের অনুরূপ উপসর্গও দেখা দিতে পারে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসের উল্লেখযোগ্য উপসর্গ হচ্ছে- ঘনঘন মূত্রত্যাগ, অতিরিক্ত পিপাসা, অতিরিক্ত ক্ষুধা, ক্লান্তি ও ঝাপসা দৃষ্টি। যেহেতু বেশিরভাগ লোকের ক্ষেত্রে প্রিডায়াবেটিসের উপসর্গ প্রকাশ পায় না, তাই নিয়মিত রক্ত শর্করা চেক করে নেয়া ভালো। এর ফলে প্রিডায়াবেটিস ধরা পড়লে টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সচেতনতার মাত্রা বাড়ানো যায়।

প্রিডায়াবেটিস দমনে করণীয়: প্রিডায়াবেটিস শনাক্ত হওয়ার মানে এটা নয় যে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বিকশিত হবে। বরং এই অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই টাইপ ২ ডায়াবেটিসের দিকে টেনে নিয়ে যায়। সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনের মাধ্যমে প্রিডায়াবেটিসকে রিভার্স করা যায়, অর্থাৎ আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা যায়।

প্রিডায়াবেটিস থেকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে জীবনযাপনে যেসব পরিবর্তন আনতে হবে তা হলো-

* ডায়েট থেকে সাদা পাউরুটির মতো সরল কার্বোহাইড্রেট কমাতে হবে। সরল কার্বোহাইড্রেট দ্রুত রক্ত শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে ডায়াবেটিস বিকাশের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা বেশি করে শাকসবজি, গোটা শস্য ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিন খেতে পরামর্শ দিয়েছেন।

* যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) প্রতিসপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট হালকা প্রকৃতির শরীরচর্চা করতে পরামর্শ দিয়েছে, যেমন- দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা ও সাইকেল চালানো।

* প্রিডায়াবেটিস থাকলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা।সিডিসির মতে, শরীরের ওজন ৫-৭ শতাংশ কমাতে পারলেও বড় প্রভাব পড়ে।

* প্রিডায়াবেটিস নিয়ে চিকৎসকের কাছে গেলে তিনি মেটফরমিন প্রেসক্রাইব করতে পারেন। মেটফরমিন শরীরকে ইনসুলিন প্রক্রিয়া করতে সহায়তা করে ও রক্ত শর্করার মাত্রা কমায়। কিছু লোকের জন্য মেটফরমিন উপযুক্ত নয়, যেমন- যাদের কিডনিতে সমস্যা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াবেটিস প্রিভেনশন প্রোগ্রামের এক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধুমাত্র মেটফরমিন ব্যবহারে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৩১ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে শুধুমাত্র জীবনযাপনে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবর্তন এনে এই ঝুঁকি ৫৮ শতাংশ কমানো যায়।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Kandy, Nuwara Eliya & Colombo 5D/4N

মূল্য: 30,900 Taka

Hanoi, Halong, Halong Bay Cruise 5D/4N

মূল্য: 32,900 Taka

Manila & Angeles City 5D/4N

মূল্য: 55,900 Taka

প্রিডায়াবেটিস শনাক্তের উপায়: সিডিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, প্রিডায়াবেটিস ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে কিছু টেস্ট রয়েছে, যেমন-

এ১সি টেস্ট: এই টেস্টে তিন মাসের গড় রক্ত শর্করার মাত্রা পরিমাপ করা হয়। কারো এ১সি ৫.৭ থেকে ৬.৪ এর মধ্যে থাকলে তার প্রিডায়াবেটিস রয়েছে।

ফাস্টিং ব্লাড সুগার টেস্ট: এই টেস্টে খাবার খাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর রক্ত শর্করা পরিমাপ করা হয়। টেস্টটি করতে সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হচ্ছে সকাল। রক্ত শর্করার মাত্রা ১০০ থেকে ১২৫ এমজি/ডিএলের মধ্যে থাকলে প্রিডায়াবেটিস রয়েছে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট: এই টেস্টে সারারাত উপবাসের পর চিনিযুক্ত পানীয় পানের আগে ও পরে রক্ত শর্করার মাত্রা মেপে দেখা হয়। দুই ঘণ্টা পর রক্ত শর্করার মাত্রা ১৪০ থেকে ১৯৯ এমজি/ডিএলের মধ্যে থাকলে প্রিডায়াবেটিস নির্দেশ করে।

Source: risingbd

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৩৫০ বার পড়া হয়েছে