চোখের সাদা অংশে রক্ত জমে গেলে ঘাবড়ে যাওয়ারই কথা। এই সমস্যাকে বলে সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ। নানা কারণে এই রক্তক্ষরণ হতে পারে। চোখ ওঠা, অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, ইউভাইটিস ইত্যাদির সঙ্গে এর পার্থক্য হলো এতে প্রদাহ হয়ে লাল হয় না, বরং রক্ত জমে থাকতে দেখা যায়। হঠাৎ অতিরিক্ত কাশি, বমি, প্রচুর হাঁচি ইত্যাদি কারণে স্ট্রেইন পড়লে চোখে রক্তক্ষরণ হতে পারে। কখনো আঘাত পেলে, চোখের ভেতর কিছু ঢুকলে বা খুব জোরে চোখ ঘষলেও এমন হতে পারে।
অনেক সময় কিছু ভাইরাস জ্বর, যেমন ডেঙ্গু ও অন্যান্য হেমোরেজিক জ্বরে চোখে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়। যাঁদের রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের বেশি ঝুঁকি থাকে।
সাধারণত এই জমাট রক্ত দু-এক সপ্তাহের মধ্যে শোষিত হয়ে যায় এবং আর দেখা যায় না। সুস্পষ্ট কোনো কারণ জানা থাকলে (যেমন আঘাত বা কাশি) তার চিকিৎসা করলেই চলবে। জ্বরের সঙ্গে চোখে রক্তপাত হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। অ্যাসপিরিন বা ওয়ারফেরিন গোত্রের কোনো ওষুধ খেয়ে থাকলে তা চিকিৎসককে অবহিত করুন। এই সমস্যার সঙ্গে চোখ বা মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। চোখে সাধারণ অস্বস্তি দূর করতে টিয়ার ড্রপ ব্যবহার করা যায়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai (City tour- Abu Dhabi- Burj Khalifa) 6D/5N
ব্রুনাই ভিসা
বালি-লম্বক-গিলি আইল্যান্ড ৭দিন ৬ রাত
ডা. পূরবী রাণী দেবনাথ
চক্ষু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল
সোর্স – প্রথম আলো।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মাত্র ৩৭ লক্ষ টাকায়!১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মা...
১,৪১০ বার পড়া হয়েছে





