কোন টবের কেমন যত্ন, জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সবুজ কথন গ্রুপের অ্যাডমিন মারুফ খান। তাঁর মতে, যেমন টবেই লাগানো হোক না কেন, টবের তলায় অবশ্যই ছিদ্র থাকতে হবে। তাতে যেমন গাছের জন্য উপকার হয়, টবের জন্যও। গাছের জন্য সবচেয়ে ভালো, মাটির টব। আবার একইভাবে সিমেন্ট-বালুর তৈরি টবও বেশ ভালো। তবে এমন ধরনের টব এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। জোরে ধাক্কা লাগলে এসব টব ভেঙে যেতে পারে আবার দীর্ঘদিন ব্যবহারে টবের গায়ে শেওলা জমে যেতে পারে। শেওলা তুলতে চাইলে ব্রাশ দিয়ে
ঘষে নিলেই চলবে। তবে রং করে ফেললে এমন সমস্যা অনেক দিন হয় না।
রোদ পড়ে না এমন স্থানের জন্য উপযুক্ত টব প্লাস্টিক। অতিরিক্ত রোদে থাকলে প্লাস্টিকের টবের রং হালকা হয়ে যায় আর টবও হয়ে পড়ে ভঙ্গুর। ময়লা হয়ে গেলে টবটি সাবান-পানিতে ধুয়ে ফেললেই চকচকে হয়ে যাবে। যাঁরা দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের টব বাগানে রাখতে চান, বেছে নিতে পারেন ফলের ঝুড়ি নয়তো কেটে নিতে পারেন তেলের বোতল। ফলের ঝুড়িকে টবে রূপান্তর করতে চাইলে মাটি দেওয়ার আগে পলিথিন ব্যাগ, নাহলে সারের বস্তা বিছিয়ে নিতে ভুলবেন না।
নারকেলের মালসা, বাঁশ বা কাঠের টবের গাছে পানি কম দিতে হয়। বৃষ্টির পানি পড়ে বা কড়া রোদ পড়ে, এমন স্থানে এসব টব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। পিতল, কাঁসা বা অন্য যেকোনো উপাদানের তৈরি সৌন্দর্যবর্ধক টবে সরাসরি গাছ লাগানো উচিত নয়। অন্য কোনো পাত্রে গাছ লাগিয়ে, এমন টবে ঢুকিয়ে দেওয়া উচিত। এ ধরনের টব পরিষ্কারের জন্য পরিষ্কারক দ্রব্য কিনতে পাওয়া যায়, সেগুলো দিয়ে ঘষে নিলেই টবগুলো হেসে উঠবে খলবলিয়ে।
সিরামিকের টব ও শামুকের খোলস দেখতে যেমন সুন্দর, যত্নও সহজ। সাবান-পানিতে পরিষ্কার করলেই ঝকঝকে–তকতকে হয়ে যায়। তবে এমন টব নাড়াচাড়া করতে হবে সাবধানে। অসাবধানে হাত থেকে পড়ে গেলেই ভেঙে যাবে, নয়তো ফাটল দেখা দিতে পারে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Premium Villa
Vietnam & Cambodia 7D/6N
Australia Visa (for Govt Service Holder)
কাচের জার, বোতল বা
বোয়াম পরিষ্কার ও সাবধানতা সিরামিকের মতোই। তবে কাচের জারের পানি প্রতিদিন পাল্টানো ও পরিষ্কার করা জরুরি। নয়তো পানিতে মশা জন্মাবে আর সেই সঙ্গে স্বচ্ছ কাচের পাত্রের গায়ে পানির দাগ বসে যাবে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
শক্তিশালী ইলেকট্রিক গ্রাইন্ডারের দাম জেনে নিন৪২৩ বার পড়া হয়েছে





