বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ডে কেয়ার ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের সামনে এ ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়।
এই ইউনিটের উদ্বোধনসহ স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আয়েশা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, সহকারী অধ্যাপক ডা. শেখ সাইফুল ইসলাম শাহীন, কাউন্সিলর সুব্রত বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডে কেয়ার ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ইউনিট সম্পর্কে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবসে ডে কেয়ার ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ডে কেয়ার ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ইউনিট চালু করার মাধ্যমে রোগীদের নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন সেবা আরও বেগবান হবে। থ্যালাসেমিয়াসহ বিভিন্ন রক্ত রোগে আক্রান্ত রোগীরা দিনের বেলাতেই সম্পূর্ণ নিরাপদে কোনোরকম ঝুঁকি ছাড়াই শরীরে রক্ত গ্রহণ করতে পারবেন এবং রক্ত দাতারাও নিরাপদে রক্ত দিতে পারবেন।
এদিকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএসএমএমইউতে মহান বিজয় দিবস-২০১৯ উদযাপিত হয়েছে। আজ ভোরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৬টায় বি ব্লকের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ৯টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অপর্ণ এবং সকাল সাড়ে ১০টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
জাপান ভিসা প্রসেসিং (বিজনেসম্যান)
কুয়ালালামপুর-লঙ্কাউ ৫দিন ৪ রাত
Australia Visa for Lawyer
এ ছাড়া মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা করা হয় এবং ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৫৭৬ বার পড়া হয়েছে





